Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

সহবাসের পর কোষ্ঠী না মেলার অজুহাতে বিয়ে বাতিল করা অপরাধ: দিল্লি হাইকোর্ট

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস। তারপর কোষ্ঠী না মেলার অজুহাতে বিয়ে বাতিল। এহেন কাজ আইনের চোখে অপরাধ। সম্প্রতি এক মামলার শুনানিতে এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের।

সহবাসের পর কোষ্ঠী না মেলার অজুহাতে বিয়ে বাতিল করা অপরাধ: দিল্লি হাইকোর্ট
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস। তারপর কোষ্ঠী না মেলার অজুহাতে বিয়ে বাতিল। এহেন কাজ আইনের চোখে অপরাধ। সম্প্রতি এক মামলার শুনানিতে এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের। 

Advertisement

ঘটনা কয়েক মাস আগের। এক তরুণী তাঁর দীর্ঘদিনের ‘লিভ-ইন’ সঙ্গীর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। বলেন, কোষ্ঠী না মেলার অজুহাতে বিয়ে বাতিল করেছেন অভিযুক্ত সঙ্গী। এই ঘটনার পর অভিযুক্ত যুবক আবার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। তাতে আশ্বস্ত হয়ে অভিযোগ তুলে নেন তরুণী। কিন্তু বাস্তবে তাঁদের বিয়ে হয়নি। কোষ্ঠী না মেলার অজুহাতেই ফের বিয়ে বাতিল করেন অভিযুক্ত যুবক। এরপর থানায় অভিযোগ জানান তরুণী। ঘটনার জল গড়ায় আদালত অবধি। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় জামিনের আর্জি জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল অভিযুক্ত। সেখানে বিচারপতি সুর্য কান্ত শর্মা সাফ জানিয়ে দেন, ‘আগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েও কোষ্ঠী না মেলার অজুহাতে বিয়ে বাতিল ভারতীয় ন্যায়  সংহিতার ৬৯ ধারায় অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হবে।’ তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের এই আচরণ তার দেওয়া প্রতিশ্রুতির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি করে। অভিযোগকারী তরুণী তাঁর সঙ্গে হওয়া প্রতারণার প্রমাণ হিসাবে কিছু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট প্রকাশ করেন। যেখানে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক দিনের পর দিন তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যুবকের জামিনের আর্জি খারিজ করে জাস্টিস শর্মা আরও বলেন, যদি কোষ্ঠী বিচারের মতো বিষয় এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে, তাহলে তা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের আগেই নিষ্পত্তি করা উচিত ছিল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ