Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নাতি অভিষেকের জন্য কুসুম্বা গ্রামে প্রহর গুনছেন অনিল মুখোপাধ্যায়

নবজোয়ার কর্মসূচিতে বীরভূমে এসে আচমকাই রামপুরহাটের কুসম্বা গ্রামে দাদুর বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

নাতি অভিষেকের জন্য কুসুম্বা গ্রামে প্রহর গুনছেন অনিল মুখোপাধ্যায়
  • ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: নবজোয়ার কর্মসূচিতে বীরভূমে এসে আচমকাই রামপুরহাটের কুসম্বা গ্রামে দাদুর বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন বছর পর ফের কাল, মঙ্গলবার রামপুরহাটে জনসভা করতে আসছেন তিনি। এবারও কি দাদুর সঙ্গে দেখা করতে আসবেন? অপেক্ষায় নব্বই ছুঁইছুঁই অনিল মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর জন্মস্থান রামপুরহাটের চাকাইপুর গ্রাম হলেও লাগোয়া কুসুম্বা গ্রামের মামার বাড়িতেই বেশি থাকতেন তিনি। এই গ্রামেই তাঁর বেড়ে ওঠা। বীরভূম সফরে এসে একাধিকবার মামার বাড়িতে এসেছেন তিনি। ২০২৩ সালের ৫ মে মুর্শিদাবাদ সফর সেরে ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ধরে কলকাতায় ফেরার পথে রামপুরহাট স্টেশনে দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছিলেন, বীরভূম সফরে এলে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পাশাপাশি তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দেবেন। ঠিক তার চারদিনের মাথায় নবজোয়ার কর্মসূচিতে এসে রাত দশটা নাগাদ কুসুম্বা গ্রামে গিয়ে দাদুর শীরিরিক অবস্থার খোঁজ নেন অভিষেক। দাদুও নাতিকে জড়িয়ে আদর করেন। মামা নীহার ও মামিমা পম্পা মুখোপাধ্যায়কে দাদুকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে যেতে বলেছিলেন। ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রীর স্মৃতি বিজরিত মাটির বাড়িটিও। তিনবছর আগের সেই স্মৃতি এখনও টাটকা অনিল মুখোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, শরীর ভালো নেই। জনসভার ভিড়ে যাওয়ার ক্ষমতাও নেই। তিনবছর আগে একদিন রাতে হঠাৎই এসে আমার সঙ্গে দেখা করে গিয়েছিল। প্রায় আধঘণ্টা ছিল। এবারও তেমনভাবে আসবে কি না জানি না। সময় পেলে নিশ্চয়ই আসবে। 

Advertisement

একইভাবে শাসকদলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের আসার অপেক্ষায় গোটা কুসুম্বা গ্রাম। বাসিন্দারা বলেন, তিনবছর আগে যখন অভিষেক এসেছিলেন তখন রাস্তার ধারে মানুষদের সঙ্গে হাত মেলান। প্রবীণরা তাঁকে স্নেহের পরশ দেন। তিনি বলেছিলেন, অনেকদিন পর এই গ্রামে এলাম। দশবছর আগে যখন এসেছিলাম, তখন এই গ্রামের কী পরিস্থিতি ছিল, আর এখন রাস্তাঘাটের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। পাশের হাইস্কুলটি সেকেন্ডারি হয়েছে। ক্লাবটি পাকা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের জোয়ার ও জনমুখী প্রকল্প গ্রামে পৌঁছেছে। আমাদের আশা, এবারও তিনি ব্যস্ততার মধ্যে কিছুটা সময় বের করে আচমকাই গ্রামে আসবেন। দাদুর পাশাপাশি গ্রামবাসীদেরও খোঁজখবর নেবেন। 
যদিও মামা নীহার মুখোপাধ্যায় বলেন, বাবার খুব ইচ্ছে অভিষেকের সঙ্গে দেখা করার। বাবার শরীর খারাপ। এত কাছে জনসভা করতে এলেও বাবার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। এর আগে হঠাৎ করে গ্রামে এসে বাবার সঙ্গে দেখা করে গিয়েছিল। তবে এবার ওর যা রুট এবং একের পর এক জেলায় জনসভা তাতে আসা মুশকিল। এখন হঠাৎ যদি আসে সে কথা আলাদা। তবে নাতিকে দেখার খুব ইচ্ছে বাবার। 
 মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছরিতে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছেন মামা অনিল মুখোপাধ্যায়। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ