সংবাদদাতা, রামপুরহাট: নবজোয়ার কর্মসূচিতে বীরভূমে এসে আচমকাই রামপুরহাটের কুসম্বা গ্রামে দাদুর বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন বছর পর ফের কাল, মঙ্গলবার রামপুরহাটে জনসভা করতে আসছেন তিনি। এবারও কি দাদুর সঙ্গে দেখা করতে আসবেন? অপেক্ষায় নব্বই ছুঁইছুঁই অনিল মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর জন্মস্থান রামপুরহাটের চাকাইপুর গ্রাম হলেও লাগোয়া কুসুম্বা গ্রামের মামার বাড়িতেই বেশি থাকতেন তিনি। এই গ্রামেই তাঁর বেড়ে ওঠা। বীরভূম সফরে এসে একাধিকবার মামার বাড়িতে এসেছেন তিনি। ২০২৩ সালের ৫ মে মুর্শিদাবাদ সফর সেরে ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ধরে কলকাতায় ফেরার পথে রামপুরহাট স্টেশনে দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছিলেন, বীরভূম সফরে এলে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পাশাপাশি তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দেবেন। ঠিক তার চারদিনের মাথায় নবজোয়ার কর্মসূচিতে এসে রাত দশটা নাগাদ কুসুম্বা গ্রামে গিয়ে দাদুর শীরিরিক অবস্থার খোঁজ নেন অভিষেক। দাদুও নাতিকে জড়িয়ে আদর করেন। মামা নীহার ও মামিমা পম্পা মুখোপাধ্যায়কে দাদুকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে যেতে বলেছিলেন। ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রীর স্মৃতি বিজরিত মাটির বাড়িটিও। তিনবছর আগের সেই স্মৃতি এখনও টাটকা অনিল মুখোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, শরীর ভালো নেই। জনসভার ভিড়ে যাওয়ার ক্ষমতাও নেই। তিনবছর আগে একদিন রাতে হঠাৎই এসে আমার সঙ্গে দেখা করে গিয়েছিল। প্রায় আধঘণ্টা ছিল। এবারও তেমনভাবে আসবে কি না জানি না। সময় পেলে নিশ্চয়ই আসবে।



