দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: আমেদাবাদে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার সংসদে বিজেপি এবং বিরোধী—দু’পক্ষেরই প্রশ্নের মুখে পড়তে হল অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রককে। বৈদ্যুতিক কোনও গোলযোগেই কি ‘কাট অফ’ হয়েছিল বিমানের ইঞ্জিন? ডিজিসিএতে এত পদ ফাঁকা কেন? ডিজিসিএর টেকনিক্যাল পদে লোক নিয়োগের ব্যাপারে কী পদক্ষেপ করছে কেন্দ্র? বিজেপি এমপি অশোক চহ্বান থেকে আরজেডির মনোজ ঝা কিংবা আপের রাঘব চাড্ডা—প্রত্যেকেরই প্রশ্নের মুখোমুখি হন অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কে আর নায়ডু। সোমবার রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, শুধুমাত্র প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দুর্ঘটনার ব্যাপারে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সম্ভব নয়। এএআইবি একটি প্রাথমিক রিপোর্ট দিয়েছে মাত্র। সব প্রশ্নের উত্তর এখনও নেই। চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতেই হবে। একইসঙ্গে এদিন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিমানের ব্ল্যাক বক্স বাইরে থেকে সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু ব্ল্যাক বক্সের তথ্য ডি-কোড করার জন্য তা বাইরে পাঠানো হয়নি। বরং দেশেই তা উদ্ধার করা হয়েছে। এটি এর আগে হয়নি। এএআইবি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করছে। বর্তমানে ডিজিসিএতে ৮২৩টি পদ খালি রয়েছে বলে এদিন রাজ্যসভায় মল্লিকার্জুন খাড়্গের একটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী মুরলীধর মোহল।



