Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর দিনেই অনুমোদন দেওয়া হয় ৭৫ স্কুলকে, বিতর্কে প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর

ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। বারামতীর এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘিরে এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি।

অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর দিনেই অনুমোদন দেওয়া হয় ৭৫ স্কুলকে, বিতর্কে প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। বারামতীর এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘিরে এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি। এরইমধ্যে এনসিপি (অজিত) নেতার হাতে থাকা সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তরের একটি পদক্ষেপ ঘিরে বিতর্ক দানা বেধেছে। জানা গিয়েছে, অজিতের মৃত্যুর ঠিক পরেই ৭৫টি স্কুলকে অনুমোদন দেয় ওই দপ্তর। এর জেরে দপ্তরের ডেপুটি সেক্রেটারি পদ্মনাভ শেনয়কে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

গত ২৮ জানুয়ারি সকালে বারামতীতে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় অজিতের। সেদিনই দুপুর তিনটে ৯ মিনিটে প্রথমে একটি স্কুলকে অনুমোদন দেওয়া হয়। তারপর ওইদিন আরও ছ’টি স্কুলকে অনুমতি দেওয়া হয়। পরবর্তী তিনদিনে সবমিলিয়ে অনুমোদিত স্কুলের সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৫। 
উপমুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুর পর স্বাভাবিকভাবে চরম ব্যস্ত ছিল প্রশাসন। সেই সময়ে ওই দপ্তরের এই ‘কর্মতৎপরতা’ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। কোনও অনিয়ম থাকলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী তথা সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী অজিত-পত্নী সুনেত্রা পাওয়ারও। 
রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান পেয়ারে খান বলেছেন, এত কম সময়ে এতগুলি স্কুলকে অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। সিআইডিকে দিয়ে ঘটনার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।  

সম্পর্কিত সংবাদ