Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

উত্তরপ্রদেশে এসআইআরের খসড়া লিস্টে বাদ ২ কোটি ৮৯ লক্ষ ভোটার

প্রকাশিত হল উত্তরপ্রদেশের খসড়া ভোটার তালিকা। অন্যান্য রাজ্যের মতো উত্তরপ্রদেশেও ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) চলছে।

উত্তরপ্রদেশে এসআইআরের খসড়া লিস্টে বাদ ২ কোটি ৮৯ লক্ষ ভোটার
  • ৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০১
Prefer us on Google

লখনউ: প্রকাশিত হল উত্তরপ্রদেশের খসড়া ভোটার তালিকা। অন্যান্য রাজ্যের মতো উত্তরপ্রদেশেও ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) চলছে। এই প্রক্রিয়ার মঙ্গলবার প্রকাশিত খসড়া তালিকায় ২ কোটি ৮৯ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। মোট ভোটারের তুলনায় তা ১৮.৭০ শতাংশ। মৃত্যু, স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত এবং একাধিক জায়গায় নাম নথিভুক্ত থাকার কারণে তালিকা থেকে এই ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) নবদীপ রিনওয়া জানিয়েছেন, আগের তালিকায় নাম ছিল ১৫ কোটি ৪৪ লক্ষ ভোটারের। তার মধ্যে খসড়া তালিকায় রয়েছে ১২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভোটারের নাম। উত্তরপ্রদেশে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা পশ্চিমবঙ্গের প্রায় পাঁচ গুণ। পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে উত্তরপ্রদেশের সিইও রিনওয়া বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার যাচাইয়ের কাজ গত ১১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রায় ২ কোটি ৯৭ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়তে দেখে রাজ্য সরকার আরও ১৫ দিন সময় চায়। ফলে এই প্রক্রিয়া বাড়িয়ে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। যদিও সময়সীমা বাড়িয়ে বিশেষ কিছু বদল হয়নি। কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকায় ২ কোটি ৮৯ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। তারমধ্যে ৪৬ লক্ষ ২৩ হাজার ভোটারকে মৃত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২ কোটি ১৭ লক্ষ ভোটার স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। বাকি ২৫ লক্ষ ৪৭ হাজার ভোটারের নাম একাধিক জায়গায় নথিভুক্ত রয়েছে। রিনওয়া আরও জানান, ‘এখন প্রতি ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ ভোটার সংখ্যা ১,২০০ করা হয়েছে। আগে যা ছিল ১,৫০০। এই নিয়ম মানতে রাজ্যে প্রায় ১৫,০৩০টি নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে।’ খসড়া তালিকার প্রকাশের পর এসআইআরে যুক্ত সরকারি অফিসার ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন রিনওয়া। রাজনৈতিক দলগুলির সহযোগিতার কথাও জানান তিনি। 

Advertisement

খসড়া তালিকা প্রকাশের পর সাধারণ ভোটারদের তাদের নাম যাচাই করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ৬ জানুয়ারি থেকে আগামী এক মাস চলবে সংশোধনের কাজ। এই সময়ের মধ্যে নাম অন্তর্ভুক্তি, সংশোধন বা বিশেষ কোনও ক্ষেত্রে আপত্তি থাকলে তা জানাতে পারবেন ভোটাররা। যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফর্ম ৬, ৭ বা ৮ জমা দিয়ে নিজেদের দাবি জানাতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ