Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুবরাজপুরে ১৭৮বছরের পুরনো ব্রহ্মাপুজো শুরু

সোমবার থেকে দাসপুর-২ ব্লকের দুবরাজপুরে ব্রহ্মাপুজো শুরু হল। এই পুজো ১৭৮বছরের পুরনো। পুজো কমিটির সম্পাদক সুধাকর কর্মকার বলেন, একসময় এই গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারের জীবিকা ছিল পিতলের বাসনপত্র তৈরি করা।

দুবরাজপুরে ১৭৮বছরের পুরনো ব্রহ্মাপুজো শুরু
  • ১৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ঘাটাল: সোমবার থেকে দাসপুর-২ ব্লকের দুবরাজপুরে ব্রহ্মাপুজো শুরু হল। এই পুজো ১৭৮বছরের পুরনো। পুজো কমিটির সম্পাদক সুধাকর কর্মকার বলেন, একসময় এই গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারের জীবিকা ছিল পিতলের বাসনপত্র তৈরি করা। পূর্বপুরুষদের মুখে শুনেছি, প্রায় ১৭৮বছর আগে বুদ্ধপূর্ণিমার দিনে হঠাৎ গ্রামের মধ্যে আকাশ থেকে একটি অগ্নিপিণ্ড পড়েছিল। কিছুক্ষণ পর সেই অগ্নিপিণ্ডটি একের পর এক বাড়ির চালে লাফিয়ে লাফিয়ে যেতে শুরু করে। সেসময় বেশিরভাগ বাড়িতে খড় বা তালপাতার ছাউনি ছিল। অগ্নিপিণ্ডটি ছাউনির উপর দিয়ে চলে যাওয়ায় ২০-২৫টি বাড়ি ছাই হয়ে যায়। তারপর থেকেই গ্রামের বাসিন্দারা প্রতিবছর বুদ্ধপূর্ণিমায় অগ্নির দেবতা হিসেবে ব্রহ্মাপুজো করার সিদ্ধান্ত নেন।গ্রামের বাসিন্দা নবকুমার কর্মকার, মদন কর্মকার, মৃণাল কর্মকার বলেন, সেই থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্রামে ব্রহ্মাপুজো হয়ে আসছে।  সাদা দাড়ি সহ চার মাথাযুক্ত ব্রহ্মামূর্তি গড়া হয়। ব্রহ্মার পাশে সরস্বতী(মতান্তরে গায়েত্রী) মূর্তিও থাকে।পূর্বপুরুষদের নির্দেশ মেনে এই পুজো ঘিরে বিশেষ কোনও অনুষ্ঠান বা আড়ম্বর করা যায় না। উদ্যোক্তারা বলেন, আমাদের নিয়ম ‘পূজার থেকে ভূজা বেশি’ যেন না হয়। তাই অনাড়ম্বরভাবেই পুজোর আয়োজন করা হয়। আশপাশের গ্রামের পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, হুগলি থেকেও প্রচুর মানুষ পুজো দিতে আসে। ব্রহ্মাদেবের কাছে মানত করে কেউ নিরাশ হননি। তিনদিন ধরে পুজো চলে। তবে বুদ্ধপূর্ণিমার দিনই মানতের পুজো সম্পন্ন হয়। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ