Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই। ইতিহাস বলছে, চিকেন পক্সের ভ্যাকসিনের জন্য ৪২ বছর, হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের জন্য ১৬ বছর, ইবোলার জন্য ৪৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। কোভিড-১৯ ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছোঁয়াচে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল। তাই করোনাকে শায়েস্তা করার ওষুধ তাড়াতাড়ি আসবে, এমন ভাবাটা একটু বাড়াবাড়িই হবে। এই অবস্থায় বাঁচার মন্ত্র, সতর্ক হোন, কিন্তু আতঙ্কিত হবেন না। আত্মকেন্দ্রিক হোন, কিন্তু স্বার্থপর নয়।
এতদিন আত্মকেন্দ্রিক শব্দটির দিকে আমরা বাঁকা চোখে তাকাতাম। সামাজিক জীবনে আত্মকেন্দ্রিকতা ছিল প্রায় গালিগালাজের সমান। আত্মকেন্দ্রিকতা আর স্বার্থপরতাকে আমরা সমান চোখে দেখে এসেছি। দু’টি শব্দের মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে। তবে তফাৎটা খুবই সুক্ষ্ম। নিজের কিসে ভালো হবে, আত্মকেন্দ্রিক মানুষ শুধু ডুবে থাকে সেই চিন্তায়। আর আত্মকেন্দ্রিকতার সঙ্গে যখন অন্যের সুখ সুবিধা অগ্রাহ্য করার মানসিকতা জড়িয়ে যায়, তখনই মানুষ হয় স্বার্থপর।
করোনার আবহে আরও অনেক কিছুর মতোই বদলে গিয়েছে আত্মকেন্দ্রিক শব্দটির তাৎপর্য। এই মুহূর্তে আত্মকেন্দ্রিকতা আর কটাক্ষ করার শব্দবন্ধ নয়। বরং বলা ভালো, আমাদের আজ আত্মকেন্দ্রিক হওয়ারই সময়। নিজের ভালোটা নিজেকেই বুঝতে হবে। আর সেটা বুঝলেই সহজ হয়ে যাবে করোনার সঙ্গে সহাবস্থান। করোনা থাকবে, থাকব আমরাও। পাশাপাশি, অথচ সমান্তরাল। ঠিক দু’টি রেললাইনের মতো। মিলে গেলেই বিপদ।
করোনা মোকাবিলার জন্য আমাদের আজ আত্মকেন্দ্রিক হতে হবে, কিন্তু স্বার্থপর নয়। তেলটা ঢালতে হবে নিজের চরকাতেই। নিজের দায়িত্বটা ঠিকঠাক পালন করলে করোনাকে ভয় নেই। চিকিৎসকরা বারে বারে বলেছেন, করোনার ছোবল থেকে বাঁচার জন্য চারটি কাজই যথেষ্ট। বাইরে বেরলে মাস্ক পরতে হবে। নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করার আগে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে হাত। বাইরে বেরলে বজায় রাখতে হবে দূরত্ব। আর ঘরে ফিরেই জামা, কাপড় ও মাস্ক জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
খুব জটিল কিছু নয়। কিন্তু অনেকেই নিজের কাজগুলো ঠিকঠাক করছি না। উল্টে বাইরের দিকে তাকাতে যাচ্ছি। নিজের ঘরটা না সামলে পরকে জ্ঞান দিচ্ছি। আর সেটা করতে গিয়েই কখনও পুলিসের সঙ্গে লাঠালাঠি করছি, কখনও প্রতিবেশীর বাড়ির সামনে গড়ে তুলছি ব্যারিকেড। মুখে যুদ্ধজয়ের হাসি। ভাবখানা এমন, দেখ কেমন দিলাম!
ঝাড়গ্রাম জেলার সরডিহার মানিকপাড়ায় অলোকা ম্যাডামের শিক্ষকতা জীবনে ছেদ পড়েছে বছর পাঁচেক আগে। অবিবাহিতা অলোকাদেবীর সংসারে কেউ নেই। তিনি একা। ক্যান্সারে আক্রান্ত। অপারেশন হয়েছে বছর খানেক আগে। চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে ওষুধ খাওয়ায় এখন কিছুটা ভালো। লকডাউনে ফুরিয়ে গিয়েছিল ক্যান্সারের অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ। আশপাশে না পেয়ে ফোন করেছিলেন ভাইঝিকে। বলেছিলেন, ওষুধগুলো নিয়ে এলে খুব উপকার হয়। আর পারলে ক’টা দিন আমার এখানে থেকে যাস। বাড়ির তিনটে ভাড়াটিয়াই চলে গিয়েছে। বড় একা লাগছে রে।
পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ভাইঝি পিসিমার ওষুধ নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন তাঁর মানিকপাড়ার বাড়িতে। ক’টা দিন থাকার প্রস্তুতি নিয়েও এসেছিলেন। কারণ গলব্লাডার অপারেশনের পর তাঁর নিজের শরীরটাও ভালো যাচ্ছিল না। ডাক্তার বলেছিলেন, একটু বাইরে গেলে ভালো হয়। তাই ডাক পেয়েই সটান পিসিমার কাছে। ঝাড়গ্রামের জল শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, সেটা তাঁর আগেই জানা ছিল। একই সঙ্গে রথ দেখা ও কলা বেচার পরিকল্পনা। কিন্তু, বিধি বাম। প্রতিবেশীদের আপত্তি, রেড জোন হাওড়া থেকে আসা ভাইঝিকে ঘরে থাকতে দেওয়া যাবে না। এখনই চলে যেতে হবে। অলোকা ম্যাডাম বলেছিলেন, আমরা বাড়ি থেকে বের হব না। বাড়ির মধ্যেই পিসি-ভাইঝিতে থাকব। এমনকী, বাইরে জলও নিতে যাব না। দরজা গোড়ায় বালতি রাখব। খাওয়ার জলটা তোমরাই একটু ঢেলে দিও।
না, ক্যান্সার আক্রান্ত বৃদ্ধার আর্জি মঞ্জুর হয়নি। তেরাত্রি পার হওয়ার আগেই কয়েকজন প্রতিবেশীর প্রবল চাপে পুলিস সোমবার সন্ধ্যায় ভাইঝিকে সরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। ভাইঝির স্থান হয়েছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। অলোকাদেবী বলেন, আমি ক্যান্সারে আক্রান্ত। ক’টা দিনই আর বাঁচব? ওদের অনেক অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু, কেউ আমার কথা শুনল না। যারা আমার দুঃখ বুঝল, তারাও সামনে আসার সাহস পেল না। প্রতিবাদ করলে হয়তো ওদের উপরেই ঝামেলা হতো। কে আর আজকাল অন্যের জন্য ঝামেলায় নিজেকে জড়াতে চায় বলুন? তাতে অবশ্য আমার রাগ নেই। তবে, রাতে দরজায় চাবি লাগিয়ে শুতে যাওয়ার সময় ভাবি, কাল যদি আর ঘুম না ভাঙে...। কথাগুলো শেষ করতে পারলেন না। গলা জড়িয়ে গেল। দেখতে পাইনি, তবে বুঝতে পারছিলাম, অলোকা ম্যাডাম কাঁদছেন।
রামকৃষ্ণ মিশনের আদর্শে অনুপ্রাণিত বিবেকানন্দ শিশু বিদ্যালয়ে তিনি শিক্ষকতা করেছেন। ৩৫ বছর ধরে ছাত্রছাত্রীদের পড়িয়েছেন রামকৃষ্ণদেবের সহিষ্ণুতা, স্বামী বিবেকানন্দের সংযমের বাণী। সেই মানুষ গড়ার কারিগরকেই জীবন সায়হ্নে এসে চরম অসংযমের শিকার হতে হল। করোনা আবহে তিনি স্পষ্ট উপলব্ধি করলেন, চেনা মানুষগুলোও আজ কেমন যেন অচেনা হয়ে যাচ্ছে।
আতঙ্ক। দিন যত যাচ্ছে আতঙ্ক আমাদের ততই গ্রাস করে নিচ্ছে। আচ্ছা, সতর্ক হতে গিয়ে কি আমরা একটু বেশি মাত্রায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি? প্রশ্নটা দিন দিন খুব বড় হয়ে উঠছে। লক্ষণটা ভালো ঠেকছে না। আতঙ্ক ঘুনপোকার মতোই ক্ষতিকারক। প্রতিনিয়ত, প্রতিটা মুহূর্ত কুরে কুরে খায়। ভিতরটা একেবারে ফোঁপরা করে দেয়।
তাই আতঙ্ক থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসার রাস্তা খুঁজতে হবে। কোনটা করা উচিত, আর কোনটা নয়, সেটা বুঝতে হবে হৃদয় দিয়ে। তা না হলে আগামী দিনগুলো আমাদের জন্য সত্যিই খুব ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। ভাবতে হবে, আতঙ্কিত হয়ে আমরা নিজেদের অজান্তেই সমাজের মধ্যে বিভেদের বীজ বপন করে ফেলছি না তো?
মানিকপাড়া কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বহু জায়গাতেই চিকিৎসক, নার্স, পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হচ্ছে, যা তিন মাস আগেও ছিল কল্পনার অতীত। হুগলির গোঘাটের সেনাই গ্রামের গীতারানি বন্দ্যোপাধ্যায় বার্ধক্যের কারণে ১৫ মে মারা যান। মায়ের শেষকাজ করার জন্য তাঁর তিন ছেলে কলকাতা থেকে গ্রামে ফিরেছিলেন। মায়ের শেষযাত্রা। মাকে শেষবারের মতো ছুঁয়ে দেখার, শেষবারের মতো আদর করার ইচ্ছা সব সন্তানেরই থাকে। বড়ভাই অরুণের কাছ থেকে মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে গীতারানিদেবীর তিন ছেলে বিশ্বনাথ, তারাশঙ্কর, লক্ষ্মীনাথ লকডাউনের মধ্যেই ছুটে গিয়েছিলেন সেনাই গ্রামে। কিন্তু, সর্বদা পরের চড়কায় তেল দিতে অভ্যস্ত কিছু লোকজন জানিয়ে দিল, রেড জোন থেকে আসায় ছেলেরা মায়ের শেষকাজ করতে পারবে না। দূর থেকে মায়ের মুখে ছুঁড়ে দিতে হবে আগুন। বাকি কাজটা করবে গ্রামের লোক।
গ্রামের লোকজনের প্রস্তাব মানতে পারেননি গীতারানিদেবীর ছেলেরা। না পারারই কথা। তাই পরের দিন ভোরে মাকে নিয়ে সোজা কলকাতা। মায়ের মরদেহের পাশে ছোট ছেলে লক্ষ্মীনাথ। মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলেন, আজ যারা রুখে দাঁড়াল, তাদের অনেককে এই মানুষটাই আদর করে বাড়িতে বসিয়ে খাইয়েছিলেন, চিকিৎসার জন্য কলকাতার বাড়িতে থাকতে দিয়েছিলেন। একদিন যাদের এই মানুষটা স্বজন ভেবেছেন, আজ তারাই...? তারাই কেড়ে নিল স্বামীর ভিটেয় তাঁর শেষকাজের অধিকার। করোনা আবহে চেনা মানুষগুলো সত্যিই কেমন যেন অচেনা হয়ে যাচ্ছে!
এটা করোনাকে হারানোর পথ নয়। করোনা মোকাবিলায় দরকার সহমর্মিতা। মারণ ভাইরাস মোকাবিলার বার্তা বাজছে মোবাইলে মোবাইলে, ‘রোগের সঙ্গে লড়তে হবে, রোগীর সঙ্গে নয়। ওদের সঙ্গে ভেদাভেদ করবেন না।’ একেবারে সঠিক কথা।
ভেদাভেদের রাস্তা নিলে যুগ যুগ ধরে গড়ে ওঠা সামাজিক সম্পর্কগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। একথা ঠিক, উম-পুন এর মতোই বিধ্বংসী করোনা ঝড়। সব তালগোল পাকিয়ে দিচ্ছে। আতঙ্কিত হয়ে আমরা যা করছি, তা করার কথা কয়েক মাস আগে স্বপ্নেও ভাবিনি। দুর্ভাগ্য, আতঙ্কে আমরা সেটাই করে বসছি। তবে দুর্দিনে বিভেদ নয়, ভরসা থাকুক কামিনী রায়ে। ‘আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে/ আসে নাই কেহ অবনী পরে/ সকলের তরে সকলে আমরা/ প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চাই
দেশজুড়ে নানা ধরনের শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ
হারাধন চৌধুরী

 প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, আগামী দিনে পৃথিবী চিহ্নিত হবে ‘করোনা-পূর্ব’ এবং ‘করোনা-পরবর্তী’ হিসেবে। দেশের প্রেক্ষাপটে তিনি যেটা বলেননি তা হল ‘করোনা-মধ্যবর্তী ভারত’। দেশবাসীর মনে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতটা রয়ে যাবে, সেটাই চিহ্নিত হবে ওই নামে।
বিশদ

14th  May, 2020
হবু-গবুর গোপন মন্ত্রণা
সন্দীপন বিশ্বাস

 মহারাজা হবুচন্দ্রের আচরণে মনটা খারাপই হয়ে গেল মন্ত্রী গবুর। রাজবাড়িতে ছিল তাঁর অবাধ যাতায়াত। সকলের জন্য প্রটোকল থাকলেও একমাত্র গবুচন্দ্রেরই তেমন কোনও বালাই ছিল না।
বিশদ

13th  May, 2020
মানুষ হতে পারলাম কি?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ফোনটা কেটে যাওয়ার পর প্রথম যে কথাটা ক্যাপ্টেন অমিতাভ সিং ভাবলেন সেটা হল, মাঝে মাত্র একদিন। এই একদিনের মধ্যে সব ঠিকঠাক করে ফেলতে হবে। ক্রু মেম্বার, তাঁদের ভিসা, বিমান... সবকিছু। তারপর? গন্তব্য উহান। মহামারীর ‘জন্মদাতা’, চীনা শহর। বিশদ

12th  May, 2020
তৃতীয় দফার পর কি ফের লকডাউন,
নাকি এখানেই শেষ হচ্ছে এই যন্ত্রণার?
পি চিদম্বরম

এই লেখা যখন পড়ছেন, আমাদের লকডাউনের তখন ৪৮তম দিন এবং এই দফা শেষ হতে ছ›দিন দূরে আমরা। প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল টেলিভিশনে প্রথম দফার লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন গত ২৪ মার্চ। যদিও সেদিন আমরা জানতাম না যে সেটি হতে চলেছে লকডাউনের ‘প্রথম দফা’।
বিশদ

11th  May, 2020
একনজরে
  মুম্বই, ২২ মে (পিটিআই): কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি এবং চ্যারিটেবল হাসপাতালের শয্যার ভাড়ার তিনটি ধাপে বেঁধে দিল মহারাষ্ট্র সরকার। একইসঙ্গে সরকার ঠিক করেছে, এই স্ল্যাবের মধ্যে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য মোট বেডের ৮০ শতাংশ ধরে রাখতে হবে। ...

 টোকিও, ২২ মে: আগামী বছর টোকিও ওলিম্পিকস আয়োজন নিয়ে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ওলিম্পিক কমিটির (আইওসি) শীর্ষ কর্তা জন কোটস পরিষ্কার জানিয়েছেন, 'আগামী বছর ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উম-পুনের আঘাতে রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলায় এক হাজার কোটি টাকা অনুদান সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণাকে স্বাগত জানাল বাম ও কংগ্রেস। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উম-পুন বিধ্বস্ত এলাকার থানাগুলিতে বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের পরিষেবা মিলছে না। বিদ্যুৎ সংযোগ কবে ফের স্বাভাবিক হবে, তা কারওরই জানা নেই। আলো বলতে টর্চই ভরসা। কিন্তু তাও হাতেগোনা। এই অবস্থায় ইমার্জেন্সি লাইট ও টর্চ চেয়ে ঘন ঘন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ঈর্ষার কারণে সম্মানহানি হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও মন্দ হবে না। দীর্ঘ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৬-নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮: ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯-জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯৫১-বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৪৮/২০ রাত্রি ১২/১৮। রোহিণীনক্ষত্র ৫৯/৪৬ রাত্রি ৪/৫২। সূর্যোদয় ৪/৫৭/২৯, সূর্যাস্ত ৬/৯/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে উদয়াবধি।
৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৩ মে ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ রাত্রি ১১/৪২। সূর্যোদয় ৪/৫৭, সূর্যাস্ত ৬/১২। রোহিণীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/১২ মধ্যে কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৫৭ মধ্যে।
 ২৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাতে কোভিড-১৯ পজিটিভ আরও ৩৯৬ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৩,৬৬৯ 

08:26:36 PM

ইদ পালিত হবে ২৫ মে
আগামী ২৫ মে ইদ পালিত হবে। আজ চাঁদ দেখা যায়নি। ...বিশদ

08:05:14 PM

মহারাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হলেন ২,৬০৮ জন, মৃত ৬০ 

08:01:30 PM

সিকিমে প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল 
প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলল সিকিমে। দিল্লি থেকে ফেরা এক ...বিশদ

07:54:38 PM

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত আরও ১২৭ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:43:40 PM

 উপসর্গ না থাকলে এবার ১০ দিনেই ছুটি করোনা রোগীর
এবার থেকে মৃদু উপসর্গ বা উপসর্গ না থাকা করোনা ...বিশদ

07:34:00 PM