Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মুখ হয়ে ওঠার নিরন্তর প্রয়াস
তন্ময় মল্লিক

কথায় আছে, মুখ হচ্ছে মনের আয়না। আবার কেউ কেউ মনে করেন, সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। তাই অনেকেরই ধারণা, সাফল্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানই হল মুখ। রাজনীতিতেও সেই মুখের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে রাজনীতিতে সৌন্দর্য অপেক্ষা অধিকতর প্রাধান্য পেয়ে থাকে মুখের কথা, ভাষাও। কথায় ও কাজে মিল থাকলে মুখ হয় আস্থার পাত্র, আর ফারাক হলেই মুখ ঢাকা পড়ে অবিশ্বাসের চাদরে। কথা ও কাজের সুবাদেই রাজনীতিতে কেউ কেউ হয়ে ওঠেন প্রতিবাদী মুখ। কানহাইয়া কুমার। মাত্র ৩৩ বছর বয়সেই তা করে দেখিয়েছেন। অধুনা ঐশী ঘোষ। আবার বাম জমানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও হয়ে উঠেছিলেন ‘প্রতিবাদের প্রতীক’। তবে, প্রতিবাদের ভাষা বখাটে ছেলের মতো বিপথগামী হলেই ছোটে কুকথার ফুলঝুরি। অতীতে এব্যাপারে যথেষ্ট খ্যাতি কুড়িয়ে ছিলেন বিনয় কোঙার, অনিল বসুরা। আর এখন দিলীপ ঘোষ। বঙ্গ রাজনীতির প্রধান বিরোধী মুখ। এরাজ্যে আরএসএসের পোস্টার বয়।
কাল মার্কস শিখিয়েছিলেন, ক্ষমতা কেড়ে নিতে হয়। কারণ সব শাসকই শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। মার্কস সাহেবের এই লড়াইয়ের রাস্তা ছিল সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা ও সামন্ত প্রভুর বিরুদ্ধে। বহু যুগ পরেও তার প্রাসঙ্গিকতা থেকেই গিয়েছে। বিশেষ করে বিরোধীদের কাছে। বিরোধী রাজনীতিতে জঙ্গিপনার এখনও বেশ কদর। মার্কসীয় দর্শনের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে দিলীপবাবুদের রাজনীতির অবস্থান। আদশর্গত অবস্থানের বিচারে উভয় দলের সম্পর্ক একেবারেই সাপে নেউলে। তা সত্ত্বেও দিলীপবাবু সেই জঙ্গিপনাকে আঁকড়ে ধরেই রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হতে চাইছেন। তাঁর চলনে, বলনে দিন দিন সেই ছাপই প্রকট হচ্ছে।
কট্টর আরএসএস ঘরানার মানুষ দিলীপবাবু খুব ভালো করেই বুঝেছেন, বিরোধী দলের জায়গাটা শক্তপোক্ত করতে হলে শাসকের বিরুদ্ধে জেহাদকে সপ্তমে চড়াতে হবে। শাসকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আছে, প্রমাণ দিতে পারলেই বিরোধী মনস্ক লোকজনকে একছাতার তলার নীচে আনা সম্ভব। তাই ছোবল মারার শক্তি থাক বা না থাক, ফোঁস করতেই হবে। শিখিয়ে গিয়েছেন স্বয়ং রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব।
বিজেপির রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দিলীপবাবু সেই কাজটি অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সঙ্গে করে যাচ্ছেন। সাফল্যও পেয়েছেন। দলগত এবং ব্যক্তিগত। সংগঠনের ছিটেফোঁটা না থাকা সত্ত্বেও লোকসভা ভোটে রাজ্যের প্রায় অর্ধেক আসন কব্জা করেছেন। তাঁরই নেতৃত্বে এরাজ্যে বিরোধী দলের জায়গাটা বিজেপির পাকা করেছেন। ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিপিএমের ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন। আবার ব্যক্তিগতভাবে প্রথমে তিনি বিধায়ক এবং পরে সংসদ সদস্য। এখন তিনি দলের কোচ কাম প্লেয়ার।
একটা সময় কলকাতার ময়দানে পিকে ব্যানার্জির ‘ভোকাল টনিক’ ছিল চর্চার বিষয়। অনামী খেলোয়াড়দের নিয়ে দল গড়েও স্রেফ ভোকাল টনিকের জোরে ম্যাচ বের করে আনতেন। খেলোয়াড়দের চাঙ্গা করার জন্য নতুন নতুন কৌশল বের করতেন। আর সেই অনন্য ক্ষমতার জন্য পিকের কোচ হিসেবে চাহিদাও ছিল তুঙ্গে।
অনেকেই মনে করছেন, রাজনীতির ময়দানে দিলীপবাবু একইভাবে অনামী খেলোয়াড়দের নিয়ে ম্যাচ বের করতে চাইছেন। ভরসা ভোকাল টনিক। খড়্গপুর উপনির্বাচনেও কর্মীদের ভোকাল টনিক দিয়েছিলেন। ‘মারব এখানে লাশ পড়বে শ্মশানে’ স্টাইলে দিলীপবাবুর ডায়ালগ ছিল, ‘ভোটের দিন বাইরের লোক খড়্গপুরে ঢুকবে হেঁটে, ফিরবে খাটিয়ায় চেপে।’ কিন্তু, টনিক কাজ করেনি। ঘটেছে দুর্গের পতন। তবে ‘হাল ছেড়ো না বন্ধু বরং কণ্ঠ ছাড়ো জোরে’ পরামর্শ মেনে লড়াইয়ে টিকে থাকার নিরন্তর চেষ্টায় মগ্ন গেরুয়া শিবিরের সেনাপতি। উপনির্বাচনে ভরাডুবিতে ঝিমিয়ে পড়া কর্মীদের চাঙ্গা করতে ভোকাল টনিকের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। তাতে মাঝেমধ্যেই ফাউল করছেন। দেখছেন হলুদ কার্ডও। কিন্তু, সতর্ক হওয়ার লক্ষণ নেই।
সিএএ ইস্যুতে উত্তরপ্রদেশে আন্দোলনকারীদের গুলি করে মারাকে সমর্থন জানিয়ে দিলীপবাবুর বক্তব্য, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করতে গেলে গুলি করে মারাই উচিত। অনেকেই ভেবেছিলেন, উত্তেজনার বশে মুখ ফসকে দিলীপবাবু একথা বলে ফেলেছেন। নিশ্চয়ই তিনি আর পাঁচজন রাজনৈতিক নেতার মতো সংবাদ মাধ্য঩মের উপর দায় চাপিয়ে দাবি করবেন, তাঁর কথার অন্য ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। কিন্তু দিলীপ ঘোষ সে বান্দা নন। উল্টে সবাইকে অবাক করে দিয়ে জানিয়ে দিলেন, তিনি তাঁর অবস্থান থেকে একচুলও নড়ছেন না। যা বলেছেন, ঠিক বলেছেন। অর্থাৎ, দিলীপ ঘোষ ভাঙবে, কিন্তু মচকাবে না।
বাংলার বুকে সাধারণ মানুষের মধ্যে বুদ্ধিজীবীদের একটা প্রভাব আগেও ছিল, এখনও আছে। মেগা সিরিয়ালের দৌলতে সেটা বেড়েছে বই কমেনি। তা‌ই বুদ্ধিজীবীদের গেরুয়া ছাতার নীচে আনার চেষ্টাও হয়েছিল। কিন্তু, সেই প্রয়াস তেমন ফলপ্রসূ হয়নি। তাই দিলীপবাবুর এখন টার্গেট, বুদ্ধিজীবীরা। বাংলা চলচ্চিত্রের অতি পরিচিত মুখ সব্যসাচী চক্রবর্তী সহ অনেকে সিএএ’র বিরোধিতা করে ‘কাগজ না দেখানোর’ মতামত ব্যক্ত করতেই দিলীপবাবু তাঁদের ‘নিমকহারাম’ বলতে সময় নেননি। তা নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু, স্ট্যান্ড বদলাননি। উল্টে পরের দিন আরও কুৎসিত আক্রমণ, যাদের বাবা মায়ের ঠিক নেই তারাই ক্যা এর বিরোধিতা করছেন। অনেকেই ছি, ছি, করছেন। কিন্তু, দিলীপবাবু নিজের বক্তব্যে অবিচল।
একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে সংবাদ মাধ্যমের ফুটেজ খাওয়ায় দৌড়ে তিনি অনায়াসেই কেষ্ট মণ্ডলকে পিছনে ফেলে দিয়েছেন। তবে, তাঁর মন্তব্যে দল প্রশ্নের মুখে পড়ছে। গুলি করে মারার হুমকি সাধারণ মানুষ তো বটেই, তাঁর দলেরই অনেকে হজম করতে পারেননি। তাঁরা মনে করছেন, চোখা চোখা ডায়ালগে হাততালির ঝড় ওঠে, কিন্তু ফ্লোটিং ভোটারদের নিয়ে বাড়ে সংশয়। কারণ অনেকেই মনে করতে পারেন, শাসকের চেয়ারে বসলে দিলীপবাবুরা গুলি করে আন্দোলনকারীদের দমনপীড়নের পথ নেবেন। এই ধারণা একবার মনে গেঁথে গেলে মানুষ মুখ ফেরাতে সময় নেবে না।
তাই দলের কেউ কেউ সিএএ ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের গুলি করে মারার সমর্থনের বিষয়টিকে ‘দিলীপ ঘোষের ব্যক্তিগত বক্তব্য, দলের কথা নয়’ বলে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করছেন। কিন্তু, তাতে দিলীপবাবু মোটেই বিচলিত হননি। কারণ তিনি জানেন, রাজনীতিতে ‘হিম্যান’ ইমেজের একটা অন্যরকম ভ্যালু আছে। আর সেটাই তিনি অত্যন্ত সযত্নে গড়তে চাইছেন। তাই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ভুল স্বীকার তো অনেক বড় কথা, তিনি নিজেকে যে বদলাবেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
যে কোনও নির্বাচনে মুখ একটা ‘এক্স ফ্যাক্টর’ হিসেবে কাজ করে। সে পুরসভার নির্বাচন হোক বা বিধানসভা কিংবা লোকসভা। ভোটাররা একটা ভরসাযোগ্য মুখ খোঁজে। বিগত লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবির নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে যতটা সফল হয়েছিল, ঠিক ততটাই ব্যর্থ হয়েছিল বিরোধীরা। মুখের সুবাদেই ‘ক্লিন সুইপ’ করেছিল বিজেপি।
এরাজ্যের শাসক দলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর মুখ স্পষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি এখনও মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসেবে কাউকে সামনে আনেনি। কিন্তু, বিরোধী দলের প্রধান মুখ হিসেবে দিলীপ ঘোষের জায়গা পাক্কা। সমকক্ষ তো দূরের কথা, তাঁর ধারে কাছে কেউ নেই। কারণ রাজ্য সভাপতির প্রথম ইনিংসে বিজেপিকে প্রায় শূন্য থেকে তুলে এনে প্রধান বিরোধীর জায়গায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। সেই কৃতিত্বের পুরস্কার, দ্বিতীয়বার রাজ্য সভাপতি।
দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই জানিয়ে দিয়েছেন, এবার তাঁর লক্ষ্য রাজ্যে এক নম্বর হওয়া। তিনি খুব ভালো করেই জানেন, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গেলে খেলতে হবে ঝোড়ো ইনিংস। দক্ষ খেলোয়াড়ের খামতি মিটিয়ে ম্যাচ বের করতে হলে কোচের একমাত্র অস্ত্র কৌশল। তাঁকে থাকতে হবে প্রচারের আলোয়। হয়ে উঠতে হবে চর্চার কেন্দ্র। তার অবশ্যম্ভাবী পরিণতি, আরও চোখা চোখা ডায়ালগে সম্বৃদ্ধ হবে তাঁর ভাষণ। এই মুহূর্তে সেটাই তাঁর ইউএসপি।
নেগেটিভ প্রচারও এক ধরনের প্রচার। নেগেটিভ প্রচারের দৌলতে বিতর্কিত অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে টক্কর নেওয়ায় যায়, প্রধান বিরোধী মুখ হওয়া যায়, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়া যায় না। কারণ
রবীন্দ্র-নজরুলের বাংলা কথা বলে অন্য ভাষায়। 
25th  January, 2020
সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করে সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুতি
পি চিদম্বরম

আর একটি বছর শুরু হল, আর একটি বাজেট পেশের অপেক্ষা, এবং এটি ভারতীয় অর্থনীতির আর একটি গুরুতর বছর। ২০১৬-১৭ সাল থেকে প্রতিটি বছর আমাদের জন্য অনেক বিস্ময় এবং ব্যথা নিয়ে এসেছে। ২০১৬-১৭ গিয়েছে সর্বনাশা নোটবন্দির বছর। ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং সেটা তড়িঘড়ি রূপায়ণের বছর গিয়েছে ২০১৭-১৮।  বিশদ

26th  January, 2020
সংবিধান ও গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হলে ভারতের আত্মাও বিপন্ন হতে বাধ্য
হিমাংশু সিংহ

১৫ আগস্ট যদি দেশের জন্মদিন হয়, তাহলে ২৬ জানুয়ারি হচ্ছে কোন মতাদর্শ ও আইন মেনে কীসের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে, তার লিখিত বয়ান চূড়ান্ত করার বর্ণাঢ্য উদযাপনের শুভ মুহূর্ত। নবজাতক শিশু স্কুলে ভর্তি হলে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে ধীরে ধীরে পরিণত হয়। 
বিশদ

26th  January, 2020
১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
মৃণালকান্তি দাস

শুধুমাত্র অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া করতে গিয়েই সরকার খরচ করে ফেলেছে ১৬০০ কোটি টাকা! এত টাকা কীভাবে খরচ হল সেটা খতিয়ে দেখতে দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তের। শুধু তাই-ই নয়, এই এনআরসি করতে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন অসমের বিজেপি নেতা তথা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে ক্যাগের প্রতিবেদনেও। এনআরসির মুখ্য সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না বিজেপি।
বিশদ

25th  January, 2020
নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। বিশদ

24th  January, 2020
বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন।
বিশদ

24th  January, 2020
ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়।  
বিশদ

23rd  January, 2020
স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’  বিশদ

23rd  January, 2020
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
একনজরে
 আগ্রা, ২৫ জানুয়ারি: কথায় বলে প্রেমের কোনও বয়স হয়না। এই প্রবাদবাক্যটি ফের একবার বাস্তবে ধরা পড়ল। আর তার ঘটল খোদ তাজমহলেরই শহর আগ্রায়। যার রূপকার ...

 ওয়াশিংটন: আরও একবার রেকর্ড ছাড়িয়েছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্য গ্রিনহাউস গ্যাসের উপস্থিতি। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সূচনা। ব্যবসায়ীদের উন্নতির আশা রয়েছে। বিদ্যার্থীদের সাফল্যযোগ আছে। আত্মীয়দের সঙ্গে মনোমালিন্য দেখা দেবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২৬: জন লগি বেয়ার্ড লন্ডনে প্রথম টেলিভিশন সিস্টেমকে জনসমক্ষে নিয়ে আসেন
১৯৩৬: জনগণের জন্য লন্ডনে শুরু হল বিবিসি-র সম্প্রচার
১৯৩৯: আমেরিকায় নিয়মিতভাবে টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু
১৭৮২ – বাঁশের কেল্লা খ্যাত বিপ্লবী তিতুমীর তথা সৈয়দ মীর নিসার আলীর জন্ম
১৮৮০ - টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাতির বাণিজ্যিক পেটেন্ট করেন।
১৯৬৯: অভিনেতা ববি দেওলের জন্ম
১৯৬৯: চিত্রপরিচালক বিক্রম ভাটের জন্ম
১৯৮৬: বিশিষ্ট সেতারবাদক নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
২০০৯: ভারতের অষ্টম রাষ্ট্রপতি আর ভেঙ্কটরামনের মৃত্যু
২০০২ - নাইজেরিয়ার লেগোস শহরে এক বিস্ফোরণে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুন গৃহহীন হন।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬৪ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৫ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৯৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৮৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,৪৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
26th  January, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ মাঘ ১৪২৬, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, (মাঘ শুক্লপক্ষ) দ্বিতীয়া ৫৯/৪৫ শেষ রাত্রি ৬/১৬। ধনিষ্ঠা অহোরাত্র। সূ উ ৬/২১/৫৩, অ ৫/১৬/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ গতে ৮/৪৬ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/১০ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
১১ মাঘ ১৪২৬, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, দ্বিতীয়া ৫৬/১৭/৫২ শেষরাত্রি ৪/৫৬/৫। ধনিষ্ঠা ৫৮/৫৪/২৯ শেষরাত্রি ৫/৫৮/৪৪। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/১৪/৫৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/১ গতে ৯/৫৯ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪৯/৫৬ গতে ১/১১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৮/৪১ গতে ৩/৭/২৬ মধ্যে।
৩০ জমাদিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল
মেষ: বিদ্যার্থীদের সাফল্যযোগ আছে। বৃষ: নিজের প্রতিভার দ্বারা বিশেষ প্রতিষ্ঠা লাভ করতে ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৯২৬: জন লগি বেয়ার্ড লন্ডনে প্রথম টেলিভিশন সিস্টেমকে জনসমক্ষে নিয়ে ...বিশদ

07:03:20 PM

গিরিশ পার্ক এলাকায় ১১ মাসের শিশুকে অপহরণের অভিযোগ

04:55:03 PM

আনন্দপুরে একটি বাড়িতে ঢুকে মহিলাকে বেঁধে লুটতরাজ দুষ্কৃতীদের, তদন্তে পুলিস 

04:18:31 PM

৮৩ যাত্রী নিয়ে আফগানিস্তানের গজনিতে ভেঙে পড়ল বিমান

04:15:59 PM

৪৫৮ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:11:36 PM