Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভারতীয় বিজ্ঞানীদের প্রথম আবিষ্কার, কার্শিয়াং ও রাভাংলায় ডিপ্লুরার নতুন প্রজাতি পেল জেডএসআই

পশ্চিমবঙ্গের কার্শিয়াং এবং সিকিমের রাভাংলায় ডিপ্লুরার একটি নয়া প্রজাতির হদিশ পেলেন জুয়োলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (জেডএসআই) বিজ্ঞানীরা।

ভারতীয় বিজ্ঞানীদের প্রথম আবিষ্কার, কার্শিয়াং ও রাভাংলায় ডিপ্লুরার নতুন প্রজাতি পেল জেডএসআই
  • ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের কার্শিয়াং এবং সিকিমের রাভাংলায় ডিপ্লুরার একটি নয়া প্রজাতির হদিশ পেলেন জুয়োলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (জেডএসআই) বিজ্ঞানীরা। মাটিতে বসবাসকারী, ডানাবিহীন ক্ষুদ্র অ্যার্থ্রোপেড প্রজাতিটি একটি প্রাচীন হেক্সাপড গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। এগুলি দৃষ্টিহীন। এদের দ্বিশাখাযুক্ত ব্রিসলটেলও বলা হয়। এই প্রথম কোনো ভারতীয় বিজ্ঞানী দল এই ধরনের প্রাণীর সন্ধান করল। এর আগে ভারতে মোট ১৭টি প্রজাতি চিহ্নিত হলেও সেগুলি সবই ছিল বিদেশি গবেষকদের কাজ। তাই দেশের কীটতত্ত্বে এই আবিষ্কার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। লেপিডোক্যাম্পা সিকিমেনসিস নাম দেওয়া হয়েছে এই নয়া প্রজাতির। পাশাপাশি, গবেষকরা লেপিডোক্যাম্পা জুরাডাই বেঙ্গলেনসিস নামে ডিপ্লুরার একটি বিরল উপজাতি আবিষ্কার করেছেন, যেটির দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কোনো অস্তিত্ব দেশে পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, পূর্ব হিমালয় জুড়ে যে এই প্রজাতিগুলির উপস্থিতি রয়েছে, তাও প্রমাণিত হল। এ ধরনের প্রাণীগুলি মাটির পুষ্টিচক্রকে সচল রাখতে 

Advertisement

সাহায্য করে। তাই, বাস্তুতন্ত্রে এই প্রাণীগুলির ভূমিকা অপরিসীম। গবেষকদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ডঃ সুরজিৎ কর। দলে ছিলেন সৌভিক মজুমদার, পৃথা মণ্ডল, গুরুপদ মণ্ডল এবং কুসুমেন্দ্রকুমার সুমন। জেডএসআইয়ের অধিকর্তা ধৃতি চৌধুরী বলেন, ‘এই আবিষ্কার ভারতে মাটির জীববৈচিত্র্য নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিপ্লুরার মতো গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কম পরিচিত গোষ্ঠীর উপরে গবেষণা বাস্তুতন্ত্রের কার্যপ্রণালী বোঝার জন্য অপরিহার্য।’ আন্তর্জাতিক ট্যাক্সোনমি জার্নাল জুট্যাক্সায় এই আবিষ্কারের গবেষণাপত্রটি গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ