Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

যত্রতত্র নোংরা ফেললেই মোটা জরিমানা, প্রচার শুরু পুরসভার

যত্রতত্র নোংরা ফেললেই মোটা জরিমানা, প্রচার শুরু পুরসভার
  • ৬ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারকে হেরিটেজ শহর হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে। অথচ শহরের যত্রতত্র জঞ্জাল পড়ে থাকার সমস্যা কিছুতেই মেটাতে পারছে না পুরসভা। একদিকে সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে, অন্যদিকে রাস্তায় স্তূপ হয়ে পড়ে থাকছে জঞ্জাল। এই সমস্যা মেটাতে এবার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মাইক হাতে প্রচারে নেমেছে পুরসভা। আর প্রচারের পরও যদি কেউ যেখানে সেখানে জঞ্জাল ফেলে তাহলে গুণতে হবে মোটা টাকার জরিমানা। যার পরিমাণ ১০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা। 
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি বা সুডা থেকে ২৪টি ইলেক্ট্রনিক হ্যান্ড মাইক কোচবিহার পুরসভাকে দেওয়া হয়েছে। সেই মাইক নিয়ে নির্মলবন্ধুরা ২০টি ওয়ার্ডে গিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। আরও চারটি মাইক আসবে। প্রথম ধাবে নাগরিকদের সচেতন করা হচ্ছে। এরপরে কাজ না হলে জরিমানার পথেই হাঁটবে পুরসভা। 
কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, আমরা টানা তিন বছর ধরে নানাভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু একাংশ মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন হচ্ছে না। তারা রাস্তার ধারে, নালায় গিয়ে আবর্জনা ফেলছে। বর্জ্য রাস্তায় বা যত্রতত্র ফেললে ১০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা হতে পারে। নির্মলবন্ধুরা প্রচার চালাচ্ছেন। ১০ দিন প্রচার চালানোর পরেও যদিও কেউ রাস্তার ধারে বর্জ্য ফেলে তবে আইন মেনে জরিমানা করা হবে। আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে নির্দিষ্ট পাত্রে ফেলার আবেদন করা হচ্ছে। 
কোচবিহার শহরের ২০টি ওয়ার্ডের বেশকিছু জায়গা আছে যেখানে সাফাই করার পরেও প্রায়দিনই বর্জ্য জমে থাকছে। পুরসভার পক্ষ থেকে জঞ্জাল অপসারণ করা হয়। আবার বাড়ি বাড়ি থেকেও জঞ্জাল সংগ্রহ চালু রয়েছে। তারপরেও একাংশ নাগরিক শহরের রাস্তার ধারে জঞ্জাল ফেলে দেন। সেগুলি ফেলারও নির্দিষ্ট কোনও সময় তারা মানেন না। ফলে দিনের যে কোনও সময় জঞ্জাল পড়ে থাকে। অনেকে আবার রাতে নালায় প্যাকেটে জঞ্জাল ভরে নিক্ষেপ করেন। এতে নিকাশি ব্যবস্থায় প্রভাব পড়ছে। একাংশ ব্যবসায়ীও রাস্তার ধারে দোকানের বর্জ্য ফেলেন। এতেও শহর নোংরা হয়। সব মিলিয়ে হেরিটেজ তকমা পাওয়া রাজার শহর কোচবিহারের পথঘাটের পরিচ্ছন্নতা নষ্ট হচ্ছে। 
এই পরিস্থিতিতে পুরসভা বিভিন্নভাবে সচেতনতামূলক প্রচারের মাধ্যমে নাগরিকদের সচেতন করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কিছুতেই সুফল মিলছে না। এবার তাই হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে আরও ব্যাপকভাবে প্রচার করা হচ্ছে। আর তাতেও কাজ না হলে জরিমানার আদায় করবে পুরসভা। 
 নিজস্ব চিত্র।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ