নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: সুন্দর সাজানো শহর শান্তিপুর। অথচ সেই শহরের এক ক্রনিক রোগ যত্রতত্র মূত্রত্যাগ। অনেকেই অবশ্য বিষয়টির জন্য প্রশাসনকেই দায়ী করেছেন। কারণ এলাকায় নাকি পর্যাপ্ত কমিউনিটি টয়লেট নেই। তবে এবার আর ‘অজুহাত’দেওয়া যাবে না। কারণ শহরের প্রতিটি কোণায় এবার শান্তিপুর পুরসভা তৈরি করবে কমিউনিটি টয়লেট। এরপর যত্রতত্র মূত্রত্যাগ করলেই গুনতে হবে মোটা টাকা জরিমানা।
Advertisement
শান্তিপুর পুরসভায় পালাবদলের পর একাধিক গঠনমূলক কাজ হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। যেমন গত বোর্ড থাকাকালীন শহরের সাতটি কমিউনিটি টয়লেট বা পে অ্যান্ড ইউজ টয়লেট তৈরি হয়েছিল। নদীয়ার অন্যতম উৎসবের ‘এপিসেন্টার’ শান্তিপুরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও যত্রতত্র মূত্রত্যাগের প্রবণতা কমেনি। অবশ্য অপর্যাপ্ত কমিউনিটি টয়লেট থাকাকেই অনেকেই এর কারণ হিসেবে দায়ী করেন। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগ নিয়েছে শান্তিপুর পুরসভা। শহরে অতিরিক্ত ২১টি কমিউনিটি টয়লেট তৈরির জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে পুর ও নগর উন্নয়ন দপ্তরের কাছে। শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে তৈরি হবে এই টয়লেটগুলি। শান্তিপুর পুরসভা সূত্রের খবর, স্বচ্ছ ভারত মিশন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে এই উদ্যোগকে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুরসভার পক্ষ থেকে শহরের ২৪টি ওয়ার্ডের মোট ২১টি জায়গা চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে কমিউনিটি টয়লেট তৈরি করার জন্য। ইতিমধ্যেই স্বচ্ছ ভারত মিশন প্রকল্পের টিম সেই জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন। দ্রুত সিলমোহর পড়তে চলেছে পুরসভার পাঠানো প্রস্তাবে।
বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিলের সদস্য শুভজিৎ দে বলেন, আমরা অনুধাবন করেছিলাম, শহরে অনেক বেশি পরিমাণে কমিউনিটি টয়লেট প্রয়োজন। কারণ শুধুমাত্র শহরের মানুষ নন, বিভিন্ন উৎসব হয় শান্তিপুরকে কেন্দ্র করে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসেন এখানে। ফলে কমিউনিটি টয়লেট বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমাদের চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষের উদ্যোগে আমরা সেই প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম। সেই মতো প্রাথমিক পর্বের পরিদর্শন হয়ে গিয়েছে। আশা করি, দ্রুত অর্থ বরাদ্দ এবং কাজ শুরু করা যাবে।
প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে সাতটি কমিউনিটি টয়লেট রয়েছে শান্তিপুর শহরে। অতিরিক্ত ২১টি টয়লেট বানানো হলে সবমিলিয়ে সংখ্যা হবে ২৮। পরবর্তী সময়ে যত্রতত্র মূত্রত্যাগ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেবে শান্তিপুর পুরসভা। অর্থাৎ যত্রতত্র মূত্রত্যাগ করলে গুনতে হবে মোটা টাকার জরিমানা। প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত জায়গাগুলির মধ্যে রয়েছে, বাগচি বাগান মার্কেট, পাবলিক লাইব্রেরির মাঠ, হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস এমন তিনটি জায়গায়, আগমেশ্বরী মন্দিরের কাছে, খেলার মাঠ ইত্যাদি।
বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিলের সদস্য শুভজিৎ দে বলেন, আমরা অনুধাবন করেছিলাম, শহরে অনেক বেশি পরিমাণে কমিউনিটি টয়লেট প্রয়োজন। কারণ শুধুমাত্র শহরের মানুষ নন, বিভিন্ন উৎসব হয় শান্তিপুরকে কেন্দ্র করে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসেন এখানে। ফলে কমিউনিটি টয়লেট বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমাদের চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষের উদ্যোগে আমরা সেই প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম। সেই মতো প্রাথমিক পর্বের পরিদর্শন হয়ে গিয়েছে। আশা করি, দ্রুত অর্থ বরাদ্দ এবং কাজ শুরু করা যাবে।
প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে সাতটি কমিউনিটি টয়লেট রয়েছে শান্তিপুর শহরে। অতিরিক্ত ২১টি টয়লেট বানানো হলে সবমিলিয়ে সংখ্যা হবে ২৮। পরবর্তী সময়ে যত্রতত্র মূত্রত্যাগ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেবে শান্তিপুর পুরসভা। অর্থাৎ যত্রতত্র মূত্রত্যাগ করলে গুনতে হবে মোটা টাকার জরিমানা। প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত জায়গাগুলির মধ্যে রয়েছে, বাগচি বাগান মার্কেট, পাবলিক লাইব্রেরির মাঠ, হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস এমন তিনটি জায়গায়, আগমেশ্বরী মন্দিরের কাছে, খেলার মাঠ ইত্যাদি।



