নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: পুরসভার নির্মল সাথীদের গাড়িতে আবর্জনা না দিয়ে ড্রেনে বা রাস্তায় ফেললে এবার থেকে মোটা অঙ্কের জরিমানা গুণতে হবে। তা হাজার টাকা থেকে লক্ষ টাকা হবে বলে জানিয়েছেন কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। এদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে শহরের সাগরদিঘির পাড়ে ‘গ্রিন কোচবিহার, ক্লিন কোচবিহার’ কর্মসূচি হয়। সেখানকার অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথেই কাছারি মোড়ে চেয়ারম্যানের চোখে ধরা পড়ে এক অনাকাঙ্খিত চিত্র। তিনি দেখেন হোটেলের এক কর্মী বালতি ভর্তি জঞ্জাল রাস্তার উপরেই ঢেলে দিচ্ছেন। এই দৃশ্য দেখে ক্ষুব্ধ চেয়ারম্যান গাড়ি থেকে নেমে ওই কর্মীকে জঞ্জাল সরিয়ে নিয়ে যেতে বলেন।
Advertisement
এদিকে, এদিনই ঢাকঢোল পিটিয়ে সাগরদিঘি চত্বরে প্রশাসনের কর্মসূচি হয়েছে। কিন্তু কর্মসূচি পালন হলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যে জঞ্জাল পড়ে থাকে সেকথা স্বীকার করেন চেয়ারম্যান। আর এবার থেকে রাস্তার ধারে জঞ্জাল ফেলা হলে জরিমানা করা হবে বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, এদিন ‘গ্রিন কোচবিহার ক্লিন কোচবিহার’ কর্মসূচি ছিল। আর এদিনই আসার সময় দেখি এক হোটেলের কর্মী বালতি করে জঞ্জাল নিয়ে এসে রাস্তার ধারে ফেলছেন। এতটুকু সচেতনতা যদি না থাকে তাহলে আমরা কী করব! শহরবাসীর বাড়ি বাড়ি বালতি দেওয়া আছে। নির্মল সাথীরা সেগুলি বাড়ি থেকে নিয়ে যাবেন। এটাই নিয়ম। এখন থেকেই জরিমানা করা হবে। এক হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।
এদিনের ওই অনুষ্ঠানে কোচবিহারের জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মিনা, পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য, মহকুমা শাসক কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সাগরদিঘির পাড়ে এদিনের অনুষ্ঠান হওয়ার আগে ওই রাস্তাটি ভালোভাবে পরিষ্কার করা হয়। সাগরদিঘি থেকে নেট দিয়ে কিছু জঞ্জাল তোলা হয়। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, শহরের বহু দিঘি জঞ্জালে পরিপূর্ণ। দখল হয়ে যাচ্ছে। রাস্তার ধারে জঞ্জাল পড়ে থাকছে। একদিনের এই অভিযানে আদৌ কি কোনও কাজ হবে?
কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, এদিন ‘গ্রিন কোচবিহার ক্লিন কোচবিহার’ কর্মসূচি ছিল। আর এদিনই আসার সময় দেখি এক হোটেলের কর্মী বালতি করে জঞ্জাল নিয়ে এসে রাস্তার ধারে ফেলছেন। এতটুকু সচেতনতা যদি না থাকে তাহলে আমরা কী করব! শহরবাসীর বাড়ি বাড়ি বালতি দেওয়া আছে। নির্মল সাথীরা সেগুলি বাড়ি থেকে নিয়ে যাবেন। এটাই নিয়ম। এখন থেকেই জরিমানা করা হবে। এক হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।
এদিনের ওই অনুষ্ঠানে কোচবিহারের জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মিনা, পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য, মহকুমা শাসক কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সাগরদিঘির পাড়ে এদিনের অনুষ্ঠান হওয়ার আগে ওই রাস্তাটি ভালোভাবে পরিষ্কার করা হয়। সাগরদিঘি থেকে নেট দিয়ে কিছু জঞ্জাল তোলা হয়। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, শহরের বহু দিঘি জঞ্জালে পরিপূর্ণ। দখল হয়ে যাচ্ছে। রাস্তার ধারে জঞ্জাল পড়ে থাকছে। একদিনের এই অভিযানে আদৌ কি কোনও কাজ হবে?



