Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নাদনঘাটের সমুদ্রগড়ে অবসাদগ্রস্ত হয়ে আত্মঘাতী যুবক

নাদনঘাটের সমুদ্রগড়ে অবসাদগ্রস্ত হয়ে আত্মঘাতী যুবক
  • ৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কালনা: স্বপ্ন ছিল কুস্তিগীর হওয়ার। হাত ভেঙে অসুস্থ হওয়ায় স্বপ্ন পূরণ হয়নি। তাতেই অবসাদগ্রস্ত হয়ে নিজের বাড়িতে আত্মঘাতী হল এক কলেজপড়ুয়া যুবক। বুধবার দুপুরে তাঁকে ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলতে দেখেন পরিবারের লোকেরা। মৃতের নাম সৌভিক সরদার (২১)। বাড়ি নাদনঘাট থানার সমুদ্রগড় এলাকায়। বৃহস্পতিবার কালনা মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহ ময়না তদন্ত হয়। নাদনঘাট থানার সমুদ্রগড় এলাকার বাসিন্দা সৌভিক সরদার নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজের বিএ তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বাবা প্রদীপ সরদার হাইস্কুলের শিক্ষক। সুঠাম দেহের অধিকারি সৌভিকের স্বপ্ন ছিল পড়াশোনার পাশাপাশি কুস্তিগীর হওয়ার। তা নিয়ে রীতিমতো প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। মাস দুয়েক আগে মালদায় অনুষ্ঠিত এক কুস্তি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ফাইনাল রাউন্ডে হাত ভাঙে। রুপোর পদক পান। হাতের চিকিৎসা  চলছিল। হাত ভেঙে যাওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। মৃতের বাবা প্রদীপ সরদার বলেন, ছেলে পড়াশোনার সঙ্গে কুস্তিগীর হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। মালদায় এক প্রতিযোগিতায় গিয়ে হাত ভাঙে। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান পায়। হাতের চিকিৎসা চলছিল। অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছিল। তা সত্ত্বেও ভাঙা হাতে কুস্তিগীর হওয়ার স্বপ্ন ধাক্কা খাবে এই ভেবে ছেলে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। আমি ও ওর মা অনেক বোঝাই। প্রয়োজনে বড় ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা করা হবে বলেও জানাই। বুধবার দুপুর ১২টা নাগাদ ওকে ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলতে দেখা যায়। ছেলে যে এতবড় সিদ্ধান্ত নেবে আমরা বুঝতে পারিনি।

Advertisement

অন্যদিকে,  শারীরিক রোগ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বৃদ্ধা। বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়িতে তাকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলতে দেখেন পরিবারের লোকেরা। মৃতার নাম দেবী বাগ (৬৯)।  বাড়ি নাদনঘাট থানার দোগাছিয়া। মৃতার ছেলে সঞ্জিত বাগ বলেন, মা দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক রোগ যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। চিকিৎসা চলছিল। মা বারান্দায় ঘুমত। বৃহস্পতিবার ভোরে মাকে বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলতে দেখা যায়। আমাদের অনুমান, রোগ যন্ত্রণার কারণেই অবসাদে আত্মঘাতী হয়েছেন।     

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ