নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাগাতার শারীরিক সম্পর্ক। পরে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করল ভক্তিনগর থানার আশিঘর ফাঁড়ির পুলিস। ধৃতের নাম নীল দে ওরফে মলয় দে। তার বাড়ি আশিঘরে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাগাতার শারীরিক সম্পর্ক। পরে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করল ভক্তিনগর থানার আশিঘর ফাঁড়ির পুলিস। ধৃতের নাম নীল দে ওরফে মলয় দে। তার বাড়ি আশিঘরে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় কলকাতার এক যুবতীর সঙ্গে আলাপ জমায় অভিযুক্ত যুবক। ক্রমেই সেই যুবতীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভরসা জেতার চেষ্টা করে সে। শিলিগুড়ি, কলকাতা সহ একাধিক জায়গায় ঘোরাফেরা শুরু হয় দুজনের। এমনকী, যুবতীর বাড়ির লোকেদের সঙ্গেও ভাব জমিয়ে নেয় আশিঘরের মলয়। ধীরে ধীরে এভাবেই বিশ্বাস অর্জন করতে শুরু করে অভিযুক্ত। অভিযোগ, এরপরেই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বহুবার যুবতীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে যুবক। এমনকী ব্যবসায় লগ্নি করার কথা বলে যুবতীর কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকাও ‘ধার’ নেয়। পরে সব টাকা শোধ করার প্রতিশ্রুতিও দেয় প্রেমিকাকে। প্রেমিককে বিশ্বাস করে নিজের সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে দেন যুবতী। টাকা পাওয়ার পর থেকেই আশিঘরের যুবক আসল রূপ দেখানো শুরু করে। ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি করে যুবতীর সঙ্গে। যুবতী বারবার ফোন করলেও মলয়কে সহজে পেতেন না। প্রেমিক প্রতারণা করছে আন্দাজ করেই টাকা ফেরত চাইতে শুরু করেন যুবতী। তবে টাকা না দিয়ে যুবতীর সঙ্গে অভদ্র ব্যবহার করে মলয়। এমনকী প্রেমিকাকে মারধর করে বলেও অভিযোগ। বাধ্য হয়ে ১৬ মে ওই যুবতী আশিঘর ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে আশিঘর এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত মলয় দে-কে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
এপ্রসঙ্গে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছি। তদন্ত শুরু হয়েছে।