নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বিট কয়েনে ইনভেস্টমেন্টের টোপ দিয়ে ৬৮ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে এক যুবক। ধৃতের নাম, রণজিৎ মণ্ডল। তার বাড়ি বেলডাঙা থানার বিষাণনগর এলাকায়। এক বছর ধরে বিট কয়েনে ইনভেস্টমেন্টের কাজ করত সে। এক যুবক ও তাঁর দুই বন্ধু কয়েক ধাপে মোট ৬৮ লক্ষ টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হন। তারপরেই তাঁরা বহরমপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন।
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের অধীনে ১৫০ অ্যাকাউন্ট আছে। এখনও পর্যন্ত সে কয়েক কোটি টাকা টাকা ইনভেস্ট করেছে বলেই অভিযোগ। বহরমপুর থানার পুলিস তাকে বুধবার মুর্শিদাবাদ জেলা আদালতে তুললে বিচারক ধৃতের সাতদিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।
কয়েকদিন আগে বহরমপুরের সাঁটুই এলাকার এক মহিলাকে এই বিট কয়েন প্রতারণা মামলায় পুলিস গ্রেপ্তার করে। ওই ঘটনাতেও অভিযুক্ত ছিল রণজিৎ। তাকে কয়েকদিন ধরেই খুঁজছিল পুলিস। মঙ্গলবার রাতে বহরমপুর থানার কাছে খবর আসে অভিযুক্ত যুবক বহরমপুরের ভাকুরির কাছে একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। পুলিস তার মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন অনুসন্ধান করে সেখানে পৌঁছয়। তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ডিএসপি পদমর্যাদার এক পুলিস আধিকারিক এই ঘটনার তদন্ত করছেন। জানা গিয়েছে, এই বিট কয়েনে ইনভেস্টমেন্টের নামে একটা গ্যাং বহরমপুর শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সাধারণ মানুষের থেকে কোটি কোটি টাকা তুলছে। টাকা ফেরত না পাওয়ায় প্রতারিতরা থানার দ্বারস্থ হচ্ছেন। মূল অভিযুক্ত পলাতক হলেও তার অধীনস্থ দুই সদস্য ধরা পড়েছে। পুলিস তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ইতিমধ্যেই কয়েক কোটি টাকা লেনদেনের হদিশ পেয়েছে। বহরমপুর থানার এক পুলিস আধিকারিক বলেন, কয়েকদিন আগে বিট কয়েন প্রতারণার একটি মামলা দায়ের হয়। মূল অভিযুক্ত এখনও পলাতক। মঙ্গলবার রাতে সূত্র মারফত খবর পেয়ে ভাকুড়ি মোড় থেকে আমরা একজনকে পাকড়াও করে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। এর আগেও এক মহিলাকে ধরা হয়েছে।