সংবাদদাতা, বারুইপুর: প্রথমে এক বধূকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, তারপরে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুনের চেষ্টাও করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে মথুরাপুর থানা এলাকায়। মথুরাপুর থানায় অভিযোগও দায়ের করে নির্যাতিতার পরিবার। পুলিস দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। ওই বধূ বর্তমানে ডায়মন্ডহারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম নির্মল হালদার। নির্যাতিতা বধূর পাশের পাড়ায় তাঁর বাড়ি। ধৃতকে শুক্রবার ডায়মন্ডহারবার আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
পুলিস সূত্রে খবর, ওই বধূ বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির রান্নাঘরে রান্না করছিলেন। সেই সময় অভিযুক্ত আচমকা সেখানে এসে তাঁকে তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ। বধূর স্বামী তখন বাড়িতেই অন্য ঘরে ছিলেন। বাড়ির কাছেই ঝোপের মধ্যে ফেলে বধূকে ধর্ষণ করেন নির্মল। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়। হাসপাতালে তাঁর পায়ে সেলাই হয়েছে। এমনকী গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। বধূ আর্তনাদ করলে স্বামী সহ পরিবারের লোকজন ছুটে আসে। ততক্ষণে অভিযুক্ত চম্পট দেন।
ওই বধূকে উদ্ধার করে মথুরাপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে রাতেই তাঁকে ডায়মন্ডহারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নির্যাতিতার পরিবারের লোকজন বলেন, অভিযুক্ত নির্মল হালদারের কড়া শাস্তি চাই। পুলিসের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, নির্মল বধূর পূর্ব পরিচিত। বধূকে রান্নাঘর থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় ঘরে স্বামী থাকা সত্ত্বেও টের পেলেন না কেন, সেই প্রশ্নও উঠেছে। পুলিস ঘটনার তদন্তে স্বামীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবে। বধূর মোবাইল ফোনও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস। ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ওই অভিযুক্ত যুবকের যাতায়াত ছিল বধূর বাড়িতে। পুলিস গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।