সংবাদদাতা, কান্দি: পাশাপাশি দু’টি গাড়ি যেতে পারে না। রাস্তার দু’ পাশে প্রায় ৬০ ফুট গভীর গর্ত। এমনই রাস্তা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যাতায়াত। ঘটনাস্থল ভরতপুর ১ ব্লকের লোহাদহঘাট ফেরিঘাট। প্রায় ১০০ মিটার বিপজ্জনক ওই রাস্তার দু’ পাশে গার্ডওয়ালের দাবি করছেন বাসিন্দারা।
বাবলা নদীর ওই ফেরিঘাটের একদিকে রয়েছে কান্দি মহকুমার বিভিন্ন গ্রাম। অপরদিকে বেলডাঙা, রেজিনগর সহ নদীয়া জেলায় পৌঁছনোর সহজ রাস্তা। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফেরিঘাটে যাওয়ার রাস্তা অতি বিপজ্জনক বলে বাসিন্দাদের দাবি।
সম্প্রতি সেখানে গিয়ে দেখা যায়, লোহাদহগ্রাম থেকে প্রায় ১০০ মিটারের ঢালাই রাস্তা সোজা ফেরিঘাটে পৌঁছেছে। রাস্তাটি এতটাই সঙ্কীর্ণ যে দু’টি ছোট গাড়িও পাশাপাশি যেতে পারে না। পাশে রয়েছে প্রায় ৬০ ফুটের গভীর গর্ত। কোথাও রাস্তার দু’পাশে দু’টি গভীর পুকুর। কোনওভাবে রাস্তা থেকে পড়ে গেলে নিস্তার নেই। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বহুবছর ধরেই তাঁরা এই রাস্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই ফেরিঘাটে যাতায়াত করছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সুব্রত দাস বলেন, প্রায় সময়েই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা লেগে থাকে। পঞ্চায়েত প্রশাসনের কাছে বার বার আবেদন করেও কিছু হয়নি। এক ছোট গাড়ির চালক আলামত শেখ বলেন, এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাওয়া মানে সার্কাস দেখানোর মতো। কয়েকমাস আগে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই রাস্তার দু’পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বেড়া ভেঙে গিয়েছে। বাসিন্দারা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চাইছেন। স্থানীয় আমলাই পঞ্চায়েত প্রধান গণেশচন্দ্র দে বলেন, ওই রাস্তার অবস্থা সত্যিই ভয়ঙ্কর। তবে পঞ্চায়েতের ফান্ডের অভাবে কিছুই করা যাচ্ছে না। সমস্যা কীভাবে মেটানো যায় তা দেখা হচ্ছে। ভরতপুর ১ বিডিও অফিসের এক আধিকারিক বলেন, দ্রুত সমস্যা মেটানোর জন্য পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হবে।