সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ মেডিক্যালের সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিংয়ে একইদিনে একাধিকবার লিফ্ট আটকে যাওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়াল বৃহস্পতিবার দুপুরে। কখনও পাঁচ মিনিট, আবার কখনও ত্রিশ মিনিট ধরে লিফ্টের মধ্যেই আটকে থাকলেন রোগী, রোগীর পরিজন, মেডিক্যাল পড়ুয়া ও কর্মীরা। কেউ আতঙ্কে বসে পড়েন লিফ্টের মধ্যেই।
Advertisement
মোট চারটি লিফ্ট রয়েছে মেডিক্যালে। দুটি রোগীদের জন্য। দুটি মেডিক্যালের কর্মীদের জন্য। কিন্তু বেশির ভাগ সময় চারটি লিফ্ট একসঙ্গে সচল না থাকায় সমস্যা হয়।
রোগীর পরিজনদের অভিযোগ, দশতলা বিল্ডিংয়ে লিফ্ট ছাড়া ওঠানামা বেশ কঠিন। কিন্তু লিফ্টে যেভাবে সমস্যা দেখা দিচ্ছে তাতে ভয় হচ্ছে। যে কোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সমস্যায় পড়েছেন হাসপাতালের কর্মীরাও। লিফ্ট নষ্ট থাকায় রোগীদের নিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, অনেক সময় রোগী সহ লিফ্টের মধ্যে আটকে থাকতে হচ্ছে।
রায়গঞ্জের বাসিন্দা কৌস্তভ রঞ্জন ঘোষ বলেন,এদিন হঠাৎ লিফ্টটি চারতলায় গিয়ে আটকে যায়। এরপর কখনও উপরের দিকে, কখনও নীচের দিকে নামতে থাকে। কোনও ফ্লোরে থামেনি। দরজাও খোলেনি। আমরা সাতজন লিফ্টের ভিতর প্রায় ৩০ মিনিট আটকে ছিলাম। আধঘণ্টা পর গ্রাউন্ড ফ্লোরে লিফ্ট খোলার পর হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন মতিউর রহমানও। হেমতাবাদের বাসিন্দা মতিউর বলেন, বাবা সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে। এদিন বাবাকে নিয়ে লিফ্টে করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ লিফ্ট আটকে যায়। আমরা ভয় পেয়ে যাই। রায়গঞ্জ মেডিক্যালের সহকারী সুপার শৌনক কুমার ঘোষ বলেন, যারা দায়িত্বে রয়েছে তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনটি লিফ্ট সচল করার কাজ চলছে। বাকি একটি আগামী সপ্তাহে ঠিক করা হবে।
মেডিক্যালের এক কর্মী জানান, লিফ্টে করে রোগীর পরিজন, মেডিক্যাল কর্মী ও মেডিক্যালের যাবতীয় সরঞ্জাম নিয়ে যেতে হয়। তার ওপর রোগীদের বাড়তি চাপ থাকে। এরফলে মাঝেমধ্যে লিফ্টগুলি খারাপ হয়ে যায়।
রোগীর পরিজনদের অভিযোগ, দশতলা বিল্ডিংয়ে লিফ্ট ছাড়া ওঠানামা বেশ কঠিন। কিন্তু লিফ্টে যেভাবে সমস্যা দেখা দিচ্ছে তাতে ভয় হচ্ছে। যে কোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সমস্যায় পড়েছেন হাসপাতালের কর্মীরাও। লিফ্ট নষ্ট থাকায় রোগীদের নিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, অনেক সময় রোগী সহ লিফ্টের মধ্যে আটকে থাকতে হচ্ছে।
রায়গঞ্জের বাসিন্দা কৌস্তভ রঞ্জন ঘোষ বলেন,এদিন হঠাৎ লিফ্টটি চারতলায় গিয়ে আটকে যায়। এরপর কখনও উপরের দিকে, কখনও নীচের দিকে নামতে থাকে। কোনও ফ্লোরে থামেনি। দরজাও খোলেনি। আমরা সাতজন লিফ্টের ভিতর প্রায় ৩০ মিনিট আটকে ছিলাম। আধঘণ্টা পর গ্রাউন্ড ফ্লোরে লিফ্ট খোলার পর হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন মতিউর রহমানও। হেমতাবাদের বাসিন্দা মতিউর বলেন, বাবা সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে। এদিন বাবাকে নিয়ে লিফ্টে করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ লিফ্ট আটকে যায়। আমরা ভয় পেয়ে যাই। রায়গঞ্জ মেডিক্যালের সহকারী সুপার শৌনক কুমার ঘোষ বলেন, যারা দায়িত্বে রয়েছে তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনটি লিফ্ট সচল করার কাজ চলছে। বাকি একটি আগামী সপ্তাহে ঠিক করা হবে।
মেডিক্যালের এক কর্মী জানান, লিফ্টে করে রোগীর পরিজন, মেডিক্যাল কর্মী ও মেডিক্যালের যাবতীয় সরঞ্জাম নিয়ে যেতে হয়। তার ওপর রোগীদের বাড়তি চাপ থাকে। এরফলে মাঝেমধ্যে লিফ্টগুলি খারাপ হয়ে যায়।



