সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ফের নারকীয়ভাবে খুন জয়গাঁ শহরে। সম্প্রতি সাত বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার একমাসও পেরোয়নি। তারমধ্যেই শনিবার জয়গাঁ পুলিস শহরের শুক্রাজোতের একটি মাঠ থেকে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করেছে। সেই ব্যক্তির যৌনাঙ্গ কেটে মুখে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম শান্তাবীর তামাং(৩৭)। তিনি একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। এই ঘটনা জানাজানি হতেই জয়গাঁ শহরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খুনের কায়দা দেখে তাজ্জব পুলিসও। মৃতের ভাই হিরিং তামাংয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস সাতজনকে আটক করেছে। কিন্তু, যৌনাঙ্গ কেটে ওই শিক্ষককে কেন খুন করা হল, সেই রহস্য জানতে পুলিস ধন্দে পড়েছে। এর পিছনে নারী ঘটিত কোনও বিষয় রয়েছে কি না, আটকদের জেরা করে তা জানার চেষ্টা চলচে।
Advertisement
এই ব্যাপারে জেলার পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এই খুনের ঘটনায় সাতজনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের জেরা করে ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা চলছে। এই মুহুর্তে এর থেকে বেশী কিছু বলা সম্ভব নয়। আমরা তদন্ত চালাচ্ছি।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি আদতে দলসিংপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি জয়গাঁর শুক্রাজোতে চলে যান। সেখানে তিনি একটি স্কুল তৈরি করেন। নিজেই সেই স্কুলে পড়াতেন। এদিন প্রাতঃভ্রমণের সময় স্থানীয়রা মাঠের মধ্যে শিক্ষকের রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিসে খবর দেন। পুলিস মৃতদেহ এবং পাশে পড়ে থাকা তাঁর মোবাইল ফোন, ঘড়ি ও মানিব্যাগ উদ্ধার করে। তবে পুলিস ঘটনাস্থল থেকে কোনও অস্ত্র পায়নি।
এদিন অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা সাতজনই মৃতের বন্ধু বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুল শিক্ষক সারাদিন নেশায় চুর হয়ে থাকতেন। শুধু তাই নয় নিয়মিত জুয়ার আসরেও যেতেন। জুয়ায় গো হারা হেরে গিয়ে গাড়ি ও স্কুটিও বন্দক রেখেছিলেন। এই আচরণ তাঁর স্ত্রী মেনে নিতে পারেননি। সেই জন্যই স্ত্রী এই ব্যক্তিকে ছেড়ে চলে যান।
এদিকে, যৌনাঙ্গ কেটে সেই কাটা দেহাংশ মৃতের মুখের মধ্যে গুঁজে দেওয়ার ঘটনাও অবাক করেছে পুলিসকে। অনুমান করা হচ্ছে, নারীঘটিত কোনও বিষয় থাকতে পারে। সেই রোষেই যৌনাঙ্গ কাটা হয়ে থাকতে পারে। তবে পুলিসী তদন্তেই আসল কারণ স্পষ্ট হবে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি আদতে দলসিংপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি জয়গাঁর শুক্রাজোতে চলে যান। সেখানে তিনি একটি স্কুল তৈরি করেন। নিজেই সেই স্কুলে পড়াতেন। এদিন প্রাতঃভ্রমণের সময় স্থানীয়রা মাঠের মধ্যে শিক্ষকের রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিসে খবর দেন। পুলিস মৃতদেহ এবং পাশে পড়ে থাকা তাঁর মোবাইল ফোন, ঘড়ি ও মানিব্যাগ উদ্ধার করে। তবে পুলিস ঘটনাস্থল থেকে কোনও অস্ত্র পায়নি।
এদিন অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা সাতজনই মৃতের বন্ধু বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুল শিক্ষক সারাদিন নেশায় চুর হয়ে থাকতেন। শুধু তাই নয় নিয়মিত জুয়ার আসরেও যেতেন। জুয়ায় গো হারা হেরে গিয়ে গাড়ি ও স্কুটিও বন্দক রেখেছিলেন। এই আচরণ তাঁর স্ত্রী মেনে নিতে পারেননি। সেই জন্যই স্ত্রী এই ব্যক্তিকে ছেড়ে চলে যান।
এদিকে, যৌনাঙ্গ কেটে সেই কাটা দেহাংশ মৃতের মুখের মধ্যে গুঁজে দেওয়ার ঘটনাও অবাক করেছে পুলিসকে। অনুমান করা হচ্ছে, নারীঘটিত কোনও বিষয় থাকতে পারে। সেই রোষেই যৌনাঙ্গ কাটা হয়ে থাকতে পারে। তবে পুলিসী তদন্তেই আসল কারণ স্পষ্ট হবে।



