নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর শহরে টোটোর সমীক্ষা করবে পুরসভা। সমীক্ষার রিপোর্ট জেলা প্রশাসনকে দেওয়া হবে। পুর আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, শহরে টোটোর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সঠিক কতগুলি টোটো চলছে শহরে, তা জানতে নিবন্ধীকরণ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। টোটো চালকদের একটি ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। সেই ফর্ম পাওয়া যাবে স্থানীয় কাউন্সিলারদের কাছে। সেই ফর্ম ফিলাপের সময়ে টোটো চালকের সচিত্র পরিচয়পত্র, টোটোর কাগজ প্রয়োজন পড়বে। স্থানীয় কাউন্সিলাররা সেই ফর্ম জমা করবেন পুরসভায়। এরপর পুরসভার তরফে সেই ফর্ম তুলে দেওয়া হবে জেলা প্রশাসনের কাছে। এনিয়ে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ বৈঠকও হয়েছে।
Advertisement
এদিন পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, টোটোর সংখ্যা বাড়ছে। পুরসভার ২৫টি ওয়ার্ড এলাকায় টোটোর সংখ্যা জানতেই এই কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করবে প্রশাসন। এরপর সেই তথ্য অনুসারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেই মনে করছি। কারণ শহরে যানজট দিন দিন বাড়ছে।
প্রসঙ্গত, প্রাচীন এই শহরে অলিগলি অসংখ্য। বাম আমলে অপরিকল্পিত ভাবে শহর বেড়ে ওঠায় ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। একইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে টোটোর সংখ্যা। যানজটের সমাধান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রশাসনকে। পাশাপাশি শীতের মরশুমে শহরের নানা প্রান্তে অনুষ্ঠানও হবে। সেই কথা মাথায় রেখে পুরসভার কাছে যানজট সমস্যা নির্মূল করা প্রধান লক্ষ্য। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরে সারা দিনে প্রায় ৮ হাজার টোটো চলাচল করে। তার মধ্যে আনুমানিক ৩ হাজার টোটোর মালিক শহরের। বাকি টোটো গ্রাম থেকে আসে। মূলত শালবনী, মেদিনীপুর সদর ব্লকের একাধিক গ্রাম থেকেও প্রচুর টোটো আসে শহরে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানাচ্ছেন, মেদিনীপুর শহরের কালেক্টরেট মোড়, তাঁতিগেড়িয়া, বিদ্যাসাগর মোড়, গান্ধীর মোড়, বটতলা, স্কুল বাজার, বড় বাজার, জগন্নাথ মন্দির চক সহ একাধিক এলাকায় মারাত্মক যানজট হয়। বহু পুরনো টোটো চলছে শহরের বুকে। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য টোটো চালকদের আইডেন্টিটি কার্ড দেওয়ারও প্রয়োজন রয়েছে। তাছাড়া পুরসভা রোটেশন পদ্ধতিতে টোটো চালানোর কথা ভাবছে। এতে টোটোর সংখ্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
টোটো চালক স্বপন মণ্ডলের বলেন, বাইরে থেকে আসা টোটোর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। শহরের টোটো চালকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আমাদের রুজিরুটি টোটোর উপরেই নির্ভরশীল। সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা প্রভাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, টোটোর জন্য খুব সমস্যা হয়। টোটোর সংখ্যা না কমালে যানজট কমবে না। পুরসভার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, প্রাচীন এই শহরে অলিগলি অসংখ্য। বাম আমলে অপরিকল্পিত ভাবে শহর বেড়ে ওঠায় ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। একইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে টোটোর সংখ্যা। যানজটের সমাধান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রশাসনকে। পাশাপাশি শীতের মরশুমে শহরের নানা প্রান্তে অনুষ্ঠানও হবে। সেই কথা মাথায় রেখে পুরসভার কাছে যানজট সমস্যা নির্মূল করা প্রধান লক্ষ্য। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরে সারা দিনে প্রায় ৮ হাজার টোটো চলাচল করে। তার মধ্যে আনুমানিক ৩ হাজার টোটোর মালিক শহরের। বাকি টোটো গ্রাম থেকে আসে। মূলত শালবনী, মেদিনীপুর সদর ব্লকের একাধিক গ্রাম থেকেও প্রচুর টোটো আসে শহরে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানাচ্ছেন, মেদিনীপুর শহরের কালেক্টরেট মোড়, তাঁতিগেড়িয়া, বিদ্যাসাগর মোড়, গান্ধীর মোড়, বটতলা, স্কুল বাজার, বড় বাজার, জগন্নাথ মন্দির চক সহ একাধিক এলাকায় মারাত্মক যানজট হয়। বহু পুরনো টোটো চলছে শহরের বুকে। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য টোটো চালকদের আইডেন্টিটি কার্ড দেওয়ারও প্রয়োজন রয়েছে। তাছাড়া পুরসভা রোটেশন পদ্ধতিতে টোটো চালানোর কথা ভাবছে। এতে টোটোর সংখ্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
টোটো চালক স্বপন মণ্ডলের বলেন, বাইরে থেকে আসা টোটোর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। শহরের টোটো চালকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আমাদের রুজিরুটি টোটোর উপরেই নির্ভরশীল। সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা প্রভাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, টোটোর জন্য খুব সমস্যা হয়। টোটোর সংখ্যা না কমালে যানজট কমবে না। পুরসভার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি।



