সংবাদদাতা, তপন: যক্ষ্মা নির্মূল করতে তপনে ১০০ দিনের অভিযান শুরু করেছে ব্লক স্বাস্থ্যদপ্তর। গত ৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এই কর্মসূচি। এখনও পর্যন্ত তপন ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ১১ হাজার ৫৮৪ জন মানুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে মোট ২৮৭ জনের কফের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
যাঁদের যক্ষ্মা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে, তাদের ভালনারেবল পপুলেশন বলা হচ্ছে। যাঁদের ডায়াবেটিস রয়েছে, যাঁরা নিয়মিত ধূমপান করেন, সেই ভালনারেবল পপুলেশনের উপর পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে তপন ব্লকের ১ নং রামপাড়া চেঁচড়া এবং ২ নং আজমতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের যক্ষ্মা নির্মূল অভিযান শেষ হয়েছে। বর্তমানে ৩ নং হজরতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে সমীক্ষা ও কফ সংগ্রহ চলছে। ১০০ দিনের এই অভিযানে একে একে তপন ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতে যাবেন সমীক্ষকরা।
হাসপাতালের ভিতরে নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি গ্রাম পঞ্চায়েতে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা চালিয়ে নমুনা সংগ্রহ করছেন স্বাস্থ্য কর্মীরা। এএনএম, আশাকর্মী সহ অন্য স্বাস্থ্য কর্মীরা প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় সমীক্ষা চালিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে আনছেন। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নমুনা পরীক্ষা করে তার রিপোর্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে স্বস্তির খবর এটাই যে, ২৮৭ জনের মধ্যে এখনও কোনও পজিটিভ কেস ধরা পড়েনি।
তপনের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অঙ্কুর দাস কর্মকার বলেন, যক্ষ্মামুক্ত রাজ্য গড়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ এবছর প্রথম শুরু হয়েছে। ভালনারেবল পপুলেশনের উপর স্ক্রিনিং করে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। দুদিনের মধ্যে তাদের রিপোর্টও পেশ করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ব্লকে পজিটিভ কেস ধরা পড়েনি। ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
হাসপাতালের ভিতরে নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি গ্রাম পঞ্চায়েতে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা চালিয়ে নমুনা সংগ্রহ করছেন স্বাস্থ্য কর্মীরা। এএনএম, আশাকর্মী সহ অন্য স্বাস্থ্য কর্মীরা প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় সমীক্ষা চালিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে আনছেন। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নমুনা পরীক্ষা করে তার রিপোর্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে স্বস্তির খবর এটাই যে, ২৮৭ জনের মধ্যে এখনও কোনও পজিটিভ কেস ধরা পড়েনি।
তপনের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অঙ্কুর দাস কর্মকার বলেন, যক্ষ্মামুক্ত রাজ্য গড়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ এবছর প্রথম শুরু হয়েছে। ভালনারেবল পপুলেশনের উপর স্ক্রিনিং করে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। দুদিনের মধ্যে তাদের রিপোর্টও পেশ করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ব্লকে পজিটিভ কেস ধরা পড়েনি। ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



