সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও অনেক ব্যক্তির নাম আবাস তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে সেই সব যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে মঙ্গলবার নিতুড়িয়া ব্লকের শালতোড় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা সরব হন। তাঁরা জানান, ত্রুটিমুক্ত তালিকা তৈরি হলে তবেই গ্রামসভায় রেজোলিউশন পাশ হবে।
Advertisement
যদিও নিতুড়িয়া ব্লকের বিডিও প্রবীরকুমার সিনহা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এদিন ব্লকের সাতটি পঞ্চায়েতে গ্রামসভা ডাকা হয়েছিল। প্রতিটি গ্রামসভা সম্পূর্ণ হয়েছে। শালতোড় পঞ্চায়েত থেকে কিছু অভিযোগ উঠে এসেছে। আমাদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সত্যি যদি কোনও যোগ্য ব্যক্তির নাম বাদ পড়ে থাকে তবে আমরা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
প্রশাসনের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, পুরনো আবাস তালিকায় প্রচুর কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। তাই প্রতিটি পঞ্চায়েতে পুরনো তালিকা ধরে নতুন করে সার্ভে হয়। আবাস যোজনার তালিকা দেখে আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি সার্ভে করেছেন। রাজনীতিমুক্ত ও বিরোধীদের অভিযোগ যাতে না আসে তার জন্য সার্ভের কাজে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের কোনও জনপ্রতিনিধিকে রাখা হয়নি। মূল তালিকা ধরে সার্ভের পর কারা যোগ্য এবং কারা অযোগ্য তার দু’টি আলাদা তালিকা তৈরি হয়। সেই তালিকা গ্রামসভায় তুলে ধরা হয়। গ্রামসভায় তালিকা সঠিক আছে জানিয়ে রেজোলিউশন হলেই তা সরকারিভাবে মান্যতা পায়।
শালতোড় পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়মমতো এদিন গ্রামসভা ডাকা হয়েছিল। গ্রামসভায় পঞ্চায়েতের ১৯ জন সদস্যের মধ্যে তৃণমূলের ১৬ জন, বিজেপি ও কংগ্রেসের একজন করে মোট ১৮ জন এবং পঞ্চায়েত সমিতির তিনজন সদস্য উপস্থিত ছিল। গ্রামসভায় ব্লকের আধিকারিকরা জনপ্রতিনিধিদের কাছে আবাসের তালিকা তুলে ধরেন। তালিকা দেখেই সদস্যদের চক্ষু চড়কগাছ। তাঁরা বিরোধিতা করেন। দেখা যায়, পঞ্চায়েতে আবাস তালিকায় ১৪৪৬ জনের নাম ছিল। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা দেওয়ার কথা ঘোষণার পর সেই তালিকা সার্ভে করা হয়। তখন ৪০০ জনের নাম বাদ পড়ে। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর আবাস যোজনার জন্য পুনরায় সার্ভের কাজ করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, পঞ্চায়েতের ৫২৯ জন যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। ৪২২ জনের নাম বাদ পড়েছে। এবং ৯৫ জনের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিতুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শান্তিভূষণপ্রসাদ যাদব বলেন, এদিন গ্রামসভায় আমরা আবাস তালিকা দেখতে চাই। হঠাৎ দেখা যায় প্রচুর যোগ্য ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তালিকায় দেখা গিয়েছে বেবি যাদব নামে একজন বিধবা মহিলা যার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বিধবা ভাতা ছাড়া আয়ের কোনও উৎস নেই তাঁর নাম বাদ পড়েছে। এমন ভাবে নমিতা শর্মা, অজিত সিনহার মতো শতাধিক ব্যক্তির নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা ত্রুটিমুক্ত তালিকা চেয়েছি। মহকুমা শাসককে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। তাই এদিন রেজোলিউশন হয়নি। তালিকার সংশোধন করা হলে আগামী ৫ ডিসেম্বর রেজোলিউশন করা হবে। পঞ্চায়েতের কংগ্রেস সদস্য শান্ত চট্টোপাধ্যায়, বিজেপি সদস্যা মিনা রাজোয়াড় বলেন, আবাসের তালিকার বিষয়ে আমাদের আগাম কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি। এদিন হঠাৎ তালিকা অনুমোদনের জন্য সভা ডাকা হয়েছিল। আমরা রেজোলিউশন করিনি। রি সার্ভের পরেই রেজোলিউশন করা হবে।
প্রশাসনের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, পুরনো আবাস তালিকায় প্রচুর কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। তাই প্রতিটি পঞ্চায়েতে পুরনো তালিকা ধরে নতুন করে সার্ভে হয়। আবাস যোজনার তালিকা দেখে আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি সার্ভে করেছেন। রাজনীতিমুক্ত ও বিরোধীদের অভিযোগ যাতে না আসে তার জন্য সার্ভের কাজে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের কোনও জনপ্রতিনিধিকে রাখা হয়নি। মূল তালিকা ধরে সার্ভের পর কারা যোগ্য এবং কারা অযোগ্য তার দু’টি আলাদা তালিকা তৈরি হয়। সেই তালিকা গ্রামসভায় তুলে ধরা হয়। গ্রামসভায় তালিকা সঠিক আছে জানিয়ে রেজোলিউশন হলেই তা সরকারিভাবে মান্যতা পায়।
শালতোড় পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়মমতো এদিন গ্রামসভা ডাকা হয়েছিল। গ্রামসভায় পঞ্চায়েতের ১৯ জন সদস্যের মধ্যে তৃণমূলের ১৬ জন, বিজেপি ও কংগ্রেসের একজন করে মোট ১৮ জন এবং পঞ্চায়েত সমিতির তিনজন সদস্য উপস্থিত ছিল। গ্রামসভায় ব্লকের আধিকারিকরা জনপ্রতিনিধিদের কাছে আবাসের তালিকা তুলে ধরেন। তালিকা দেখেই সদস্যদের চক্ষু চড়কগাছ। তাঁরা বিরোধিতা করেন। দেখা যায়, পঞ্চায়েতে আবাস তালিকায় ১৪৪৬ জনের নাম ছিল। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা দেওয়ার কথা ঘোষণার পর সেই তালিকা সার্ভে করা হয়। তখন ৪০০ জনের নাম বাদ পড়ে। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর আবাস যোজনার জন্য পুনরায় সার্ভের কাজ করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, পঞ্চায়েতের ৫২৯ জন যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। ৪২২ জনের নাম বাদ পড়েছে। এবং ৯৫ জনের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিতুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শান্তিভূষণপ্রসাদ যাদব বলেন, এদিন গ্রামসভায় আমরা আবাস তালিকা দেখতে চাই। হঠাৎ দেখা যায় প্রচুর যোগ্য ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তালিকায় দেখা গিয়েছে বেবি যাদব নামে একজন বিধবা মহিলা যার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বিধবা ভাতা ছাড়া আয়ের কোনও উৎস নেই তাঁর নাম বাদ পড়েছে। এমন ভাবে নমিতা শর্মা, অজিত সিনহার মতো শতাধিক ব্যক্তির নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা ত্রুটিমুক্ত তালিকা চেয়েছি। মহকুমা শাসককে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। তাই এদিন রেজোলিউশন হয়নি। তালিকার সংশোধন করা হলে আগামী ৫ ডিসেম্বর রেজোলিউশন করা হবে। পঞ্চায়েতের কংগ্রেস সদস্য শান্ত চট্টোপাধ্যায়, বিজেপি সদস্যা মিনা রাজোয়াড় বলেন, আবাসের তালিকার বিষয়ে আমাদের আগাম কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি। এদিন হঠাৎ তালিকা অনুমোদনের জন্য সভা ডাকা হয়েছিল। আমরা রেজোলিউশন করিনি। রি সার্ভের পরেই রেজোলিউশন করা হবে।



