লখনউ: যোগীরাজ্যের উপ নির্বাচনেও বড় জয় গেরুয়া শিবিরের। মিল্কিপুর আসনে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রভানু পাসওয়ান ৬১ হাজার ৭১০ ভোটে জয়ী হয়েছেন। যদিও পদ্মপার্টির এই জয়কে গুরুত্ব দিতে নারাজ সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। তিনি বলেন, বিজেপির উপ নির্বাচনের জয়ের কোনও সারবত্তা নেই। সরকারি মেশিনারির ব্যাপক অপপ্রযোগের মাধ্যমে এই জয় পেয়েছে শাসক জল। সেজন্য ওরা নিজেরাও জয় উদযাপন করতে পারছে না। অযোধ্যার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই আসনের ফলাফল প্রসঙ্গে অখিলেশ বলেন, ‘বিজেপি রিগিং করে জিতেছে। তাই ওদের ভয় তাড়া করে বেড়াচ্ছে। তাছাড়া রাজ্যে প্রান্তিক মানুষের শক্তি ক্রমশ বেড়ে চলেছে। তাই সাধারণের ভোটে নয়, নির্বাচনী ব্যবস্থার অপব্যবহার করে তারা জয়ী হতে চেয়েছেন।’ অন্যদিকে, এই আসন দখলের কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে দিচ্ছে গেরুয়া শিবির।
Advertisement
মিল্কিপুর আসনটি ছিল সমাজবাদী পার্টির হাতেই। কিন্তু, লোকসভা নির্বাচনে ফৈজাবাদ আসনে এখানকার বিধায়ক অবধেশ কুমার জয়ী হন। এই আসনের মধ্যেই পড়ে অযোধ্যা। লোকসভা ভোটে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর যন্ত্রনার মধ্যে ফৈজাবাদে হার বিজেপির কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিয়েছিল। অবধেশ জয়ী হওয়ার মিল্কিপুর বিধানসভা আসনটি ফাঁকা হয়। রাম জন্মভূমিতে লোকসভা ভোটে হারের বদলা নিতে শুরু থেকেই মরিয়া ছিল বিজেপি। কয়েকমাস আগে রাজ্যের অন্যান্য ফাঁকা বিধানসভা আসনে উপ নির্বাচন হয়। কিন্তু মিল্কিপুরের ভোট স্থগিত রাখা হয়। সেজন্যই এই আসনের উপ নির্বাচন ছিল বিজেপির কাছে প্রেস্টিজ ফাইট।
ভোটের দিন গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে ছাপ্পা, রিগিং, ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছিলেন অখিলেশ। সেই প্রসঙ্গ টেনে অখিলেশ এদিন বলেন, একটা-দু’টো উপ নির্বাচনে এভাবে জয়ী হওয়া যায়। কিন্তু বিধানসভা বা লোকসভা ভোটে দাঁত ফোটাতে পারবে না বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেও সরব হয়েছেন অখিলেশ।
ভোটের দিন গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে ছাপ্পা, রিগিং, ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছিলেন অখিলেশ। সেই প্রসঙ্গ টেনে অখিলেশ এদিন বলেন, একটা-দু’টো উপ নির্বাচনে এভাবে জয়ী হওয়া যায়। কিন্তু বিধানসভা বা লোকসভা ভোটে দাঁত ফোটাতে পারবে না বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেও সরব হয়েছেন অখিলেশ।



