নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: কালিয়াচকে যুগলকে হেনস্তা ও ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে মারধরের ঘটনায় এবার স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করল পুলিস। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কালিয়াচক থানা। ভাইরাল ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে যুগলকে মারধরের ঘটনায় বাকিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কালিয়াচক থানা। এবিষয়ে মালদহের পুলিস সুপারের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে জেলার এক পুলিস কর্তা জানান, মারধরের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অনেকের নাম পাওয়া গিয়েছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা হল মহম্মদ মাসিদুর রহমান (২৬), মহম্মদ মাসুদ আলম (৩০) ও মহম্মদ ইমরান আলি। এদের মধ্যে মাসিদুর ও ইমরানের বাড়ি কালিয়াচক থানা এলাকার জামিরঘাটা এবং শেরপুর এলাকায়। মাসুদ থাকে মোথাবাড়ি থানার গঙ্গাপ্রসাদ এলাকায়। ধৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করেছে কালিয়াচক থানা।
এক সপ্তাহ আগে কালিয়াচক থানার জালালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শেরপুরে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ করে যুগলকে বেধড়ক মারধর করে স্থানীয়রা। বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে মারধরের খবর পাওয়া মাত্রই যুগলকে উদ্ধার করতে গিয়েছিল পুলিস।
উন্মত্ত গ্রামবাসীরা ইট, পাথর নিয়ে পুলিসকে লক্ষ্য করেও হামলা চালায়। যুগলকে মারধর ও পুলিসের ওপর হামলার ঘটনার সেই ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপরেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিস।
এক সপ্তাহ আগে কালিয়াচক থানার জালালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শেরপুরে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ করে যুগলকে বেধড়ক মারধর করে স্থানীয়রা। বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে মারধরের খবর পাওয়া মাত্রই যুগলকে উদ্ধার করতে গিয়েছিল পুলিস।
উন্মত্ত গ্রামবাসীরা ইট, পাথর নিয়ে পুলিসকে লক্ষ্য করেও হামলা চালায়। যুগলকে মারধর ও পুলিসের ওপর হামলার ঘটনার সেই ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপরেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিস।



