অভিষেক পাল, বহরমপুর: ভুয়ো নথি দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরির আবেদন করেছিলেন এক যুবতী। নথিপত্র খতিয়ে দেখে সন্দেহ হওয়ায় থানায় অভিযোগ জানালেন বিডিও। হরিহরপাড়ার এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আবেদনকারী যুবতীর সন্ধানে হন্যে পুলিস। জানা গিয়েছে, ইলেক্টরাল রোলে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য ভোটার সার্ভিস পোর্টালে অনলাইন আবেদন করা হয়েছে। সেই আবেদনের সঙ্গে যে বার্থ সার্টিফিকেট ও আধার কার্ড দেওয়া হয়েছে, সেগুলি সম্পূর্ণ ভুয়ো। অনলাইনে আবেদনের পর বিডিওর কাছে আবেদন জমা পড়ে। তারপর সেটি খতিয়ে দেখেন ব্লক অফিসের কর্মীরা। সেই ডকুমেন্ট ভুয়ো বলে জানতে পেরেছেন কর্মীরা। তারপরই বিডিওর কাছে বিষয়টি জানানো হয়। আবেদনের সঙ্গে যে বার্থ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছিল, সেটি বিডিওর তরফে হরিহরপাড়ার বিএমওএইচের কাছে পাঠানো হয়। ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে, সেই বার্থ সার্টিফিকেট তারা ইস্যু করেনি। এই তথ্য জানার পরেই হরিহরপাড়া বিডিওর তরফ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিস মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
Advertisement
তবে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আবেদনকারী যুবতীর অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে না। হরিহরপাড়া ব্লকের স্বরূপপুর এলাকার ঠিকানা দিয়েই এই আবেদন করা হয়েছিল। সেখানে গিয়ে পুলিস আবেদনকারীর ওই নামের কোনও যুবতীকে খুঁজে পায়নি। এমনকী যে ব্যক্তিকে বাবা সাজিয়ে ওই ডকুমেন্ট তৈরি করা হয়েছিল, সেই ব্যক্তিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিস। তিনি এই ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলেই পুলিসকে জানিয়েছেন। ওই আবেদনকারীর নামে কাউকে তিনি চেনেনও না। স্বরূপপুরের ওই বাসিন্দার তিনটি মেয়ে রয়েছে। তাঁদের সকলের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তাঁরা অন্যত্র থাকেন। তাঁদের বহু বছর ধরে ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড রয়েছে।
বহরমপুরের মহকুমাশাসক শুভঙ্কর রায় বলেন, ভোটার লিস্টে নাম তোলার জন্য একটি আবেদন হয়েছে। কিন্তু যে জন্ম সার্টিফিকেট এবং আধার কার্ড দেওয়া হয়েছিল, সেই দু’টি নকল। তাই বিডিও নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিস তদন্ত করে দেখুক। আমারও বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর করছি।
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, বিডিওর তরফ থেকে আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনটি ধারায় মামলার রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। যে যুবতী আবেদন করেছে তার কোনও হদিশ পাওয়া যাচ্ছে না। যাকে বাবা সাজানো হয়েছিল, তিনিও এই নামের কাউকে চেনেন না।
অসম এবং রাজ্য পুলিসের এসটিএফের যৌথ অভিযানে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া এবং নওদা থানা এলাকা থেকে ‘এবিটি’র চারজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সাহায্য নিয়ে শাদ রবি ওরফে সাব শেখ নামের এক বাংলাদেশি জঙ্গি ভুয়ো নথি দিয়ে ডকুমেন্টস তৈরি করেছিল। নওদা ও হরিহরপাড়ার দু’টি জায়গাতেই সাবের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। তারপর ফের সম্পূর্ণ ভুয়া নথি দিয়ে ভোটার লিস্টে নাম তোলার এই চেষ্টা ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের।
বহরমপুরের মহকুমাশাসক শুভঙ্কর রায় বলেন, ভোটার লিস্টে নাম তোলার জন্য একটি আবেদন হয়েছে। কিন্তু যে জন্ম সার্টিফিকেট এবং আধার কার্ড দেওয়া হয়েছিল, সেই দু’টি নকল। তাই বিডিও নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিস তদন্ত করে দেখুক। আমারও বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর করছি।
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, বিডিওর তরফ থেকে আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনটি ধারায় মামলার রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। যে যুবতী আবেদন করেছে তার কোনও হদিশ পাওয়া যাচ্ছে না। যাকে বাবা সাজানো হয়েছিল, তিনিও এই নামের কাউকে চেনেন না।
অসম এবং রাজ্য পুলিসের এসটিএফের যৌথ অভিযানে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া এবং নওদা থানা এলাকা থেকে ‘এবিটি’র চারজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সাহায্য নিয়ে শাদ রবি ওরফে সাব শেখ নামের এক বাংলাদেশি জঙ্গি ভুয়ো নথি দিয়ে ডকুমেন্টস তৈরি করেছিল। নওদা ও হরিহরপাড়ার দু’টি জায়গাতেই সাবের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। তারপর ফের সম্পূর্ণ ভুয়া নথি দিয়ে ভোটার লিস্টে নাম তোলার এই চেষ্টা ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের।



