নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে এক যুবতীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ। এ নিয়ে বুধবার রায়গঞ্জের পুলিস সুপারের দ্বারস্থ হলেন এক যুবতী। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থল ইটাহারের ছঘরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার। অভিযোগ, মামার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্য জমি নিয়ে মামারবাড়ির কয়েকজন সদস্যের সঙ্গেই বিরোধের সূচনা। তারাই গত সোমবার যুবতীকে নিগ্রহ করেছে।
Advertisement
যুবতীর দাবি, সম্প্রতি আমার এক মামা মারা গিয়েছেন। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। তাঁর ২২ বিঘা জমির কিছু অংশ উত্তরাধিকার সূত্রে আমাদের পাওয়ার কথা। সে জন্য আমি ছয়ঘরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করি। একটি ওয়ারিশন সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আবেদন জানাই। এ ব্যাপারে আমি গত সোমবার পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে দেখা করি। তাঁর সঙ্গে আমি আমার মামা বাড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে দু›এক কথা বলতে না বলতেই তর্কাতর্কি শুরু হয়। সেখানে আমাকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়। পরিবারের কয়েকজন সদস্য সহ বহিরাগত কয়েকজন ওই ঘটনায় জড়িত। মারধর করা হয় আমাকে।
এ ব্যাপারে ইটাহার থানাতে অভিযোগ জানিয়েও তিনি সুরাহা পাননি। তাই এদিন জেলার পুলিস সুপার সানা আখতারের দপ্তরে গিয়ে নিগ্রহের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ জানান। যদিও বিষয়টি নিয়ে ছয়ঘরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নাসরিন বানুর দাবি ভিন্ন। তিনি বলেন, শরিকি জমি বিবাদ নিয়ে নিজের মামা বাড়ির কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে বিরোধ চলছে ওই যুবতীর। ওই ঘটনায় তর্কাতর্কি হলেও গত সোমবার ওই যুবতীকে কোনও মারধর করা হয়নি। আমরা ঘটনাস্থলেই ছিলাম। অন্যদিকে যাঁদের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ সেই আব্দুল সালাম সহ কয়েকজনের দাবি, নিগ্রহের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ প্রসঙ্গে ইটাহার থানা সূত্রে খবর, এ ধরনের জমি বিবাদের ক্ষেত্রে আদালত যা করার করবে। তবে নিগ্রহের অভিযোগ থানায় এলে পুলিস যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
এ ব্যাপারে ইটাহার থানাতে অভিযোগ জানিয়েও তিনি সুরাহা পাননি। তাই এদিন জেলার পুলিস সুপার সানা আখতারের দপ্তরে গিয়ে নিগ্রহের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ জানান। যদিও বিষয়টি নিয়ে ছয়ঘরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নাসরিন বানুর দাবি ভিন্ন। তিনি বলেন, শরিকি জমি বিবাদ নিয়ে নিজের মামা বাড়ির কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে বিরোধ চলছে ওই যুবতীর। ওই ঘটনায় তর্কাতর্কি হলেও গত সোমবার ওই যুবতীকে কোনও মারধর করা হয়নি। আমরা ঘটনাস্থলেই ছিলাম। অন্যদিকে যাঁদের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ সেই আব্দুল সালাম সহ কয়েকজনের দাবি, নিগ্রহের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ প্রসঙ্গে ইটাহার থানা সূত্রে খবর, এ ধরনের জমি বিবাদের ক্ষেত্রে আদালত যা করার করবে। তবে নিগ্রহের অভিযোগ থানায় এলে পুলিস যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।



