নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, রাজগঞ্জ: এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে জলপাইগুড়ি পুলিস লাইনে ক্লোজ করা হল এক এসআইকে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নেমে আসবে কড়া শাস্তির খাঁড়া। পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্ত পুলিসকর্মীর নাম সুব্রত গুন। তিনি রাজগঞ্জ থানার কর্মরত ছিলেন। যদিও ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও ওই যুবতী ও পুলিসকর্মীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়নি বলে অভিযোগ। এমনকী অভিযোগ নিতেও টালবাহানা করার অভিযোগ উঠেছে পুলিসকর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে। সমস্ত বিষয় জানিয়ে শনিবার শিলিগুড়ির পুলিস কমিশনারকে ই-মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই যুবতীর আইনজীবী সন্দীপ মণ্ডল। এরপর কিছুটা সক্রিয় হলেও এদিন সন্ধ্যে পর্যন্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়নি বলেই অভিযোগ করেছেন সন্দীপবাবু। যদিও যুবতীর জন্য আইন মোতাবেক সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং।
Advertisement
এব্যাপারে জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, ওই এসআইকে পুলিস লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) বলেন, আমরা যে সকল আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সবটাই নিয়েছিলাম। ওই যুবতী নিজে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের অসহযোগিতা করেছেন।
ওই যুবতী অভিযোগপত্রে লিখেছেন, রাজগঞ্জ থানার ওই এসআই কদিন আগে তাঁকে ফোন করে বলেছেন, তাঁর নামে অভিযোগ জমা হয়েছে। সেই কারণে থানায় ডাকা হয় তাঁকে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই যুবতী থানায় গেলে উল্টো দিকে থাকা অভিযুক্ত এসআই-এর নিবাসে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ যুবতীর। মধ্যরাতে সেই অভিযোগ নিয়ে শিলিগুড়ি মহিলা থানায় ছুটে যান তিনি।
সেখানে কান্নাকাটি শুরু করে দেন। অভিযোগ জানাতে গিয়ে থানাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন যুবতী। এমনকী সেই রাতেই শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখান থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যান তিনি।
তবে কোথাও তার প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়নি বলে অভিযোগ। শনিবার অভিযোগ পেয়েই অভিযুক্ত এসআইকে জলপাইগুড়ি পুলিস লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
ওই যুবতী অভিযোগপত্রে লিখেছেন, রাজগঞ্জ থানার ওই এসআই কদিন আগে তাঁকে ফোন করে বলেছেন, তাঁর নামে অভিযোগ জমা হয়েছে। সেই কারণে থানায় ডাকা হয় তাঁকে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই যুবতী থানায় গেলে উল্টো দিকে থাকা অভিযুক্ত এসআই-এর নিবাসে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ যুবতীর। মধ্যরাতে সেই অভিযোগ নিয়ে শিলিগুড়ি মহিলা থানায় ছুটে যান তিনি।
সেখানে কান্নাকাটি শুরু করে দেন। অভিযোগ জানাতে গিয়ে থানাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন যুবতী। এমনকী সেই রাতেই শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখান থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যান তিনি।
তবে কোথাও তার প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়নি বলে অভিযোগ। শনিবার অভিযোগ পেয়েই অভিযুক্ত এসআইকে জলপাইগুড়ি পুলিস লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।



