সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ দেহ ও মন গঠন হয়। বিভিন্ন চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে খেলাধুলার যথেষ্ট অবদান রয়েছে। তাই যুব সমাজকে মাঠমুখী করতে ও সুস্থ জীবন গঠনের বার্তা দিতে মঙ্গলবার রঘুনাথপুর-১ নম্বর ব্লকের গোপীনাথপুরে দুই দিবসীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শুরু করা হয়। সংখ্যালঘু উন্নয়ন সমিতির পরিচালনায় এই ষষ্ঠবর্ষ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এদিন গোপীনাথপুর ক্রিকেট ময়দানে খেলার সূচনা করা হয়। জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাদা পায়রা উড়িয়ে খেলার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা আরটিও বোর্ডের সদস্য হাজারী বাউরি, পাড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি হাসিবুর রহমান, রঘুনাথপুর পুরসভার দুই কাউন্সিলার মৃত্যুঞ্জয় প্রামাণিক, প্রণব দেওঘরিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিন পুলওয়ামায় নিহত শহিদদের উদ্দেশে নীরবতা পালন করা হয়। সমবেতভাবে জাতীয় সংগীতও পরিবেশন করা হয়।
Advertisement
কমিটির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, খেলায় জেলার মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করেছে। এদিন প্রথম খেলায় নিতু একাদশ ও কেএফসি গ্লাস অ্যান্ড স্টিল দুই দল মুখোমুখি হয়। আজ, বুধবার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। খেলাটিকে মনোরঞ্জন করে তোলার জন্য খেলোয়াড়দের পাশাপাশি দর্শকদের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার রাখা হয়েছে। ফাইনালে জয়ী ও পরাজিত উভয় দলকে নগদ টাকার চেক সহ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। মাঠের ভিতর খেলোয়াড় ব্যতীত অন্য কেউ যাতে প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য চারিপাশ ঘেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠটিকে সাজানো হয়েছে।
খেলার আয়োজক তথা কমিটির সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন আনসারী বলেন, যুব সমাজকে মাঠমুখী করতে প্রতিবছর ক্রিকেট প্রতিযোগিতা করানো হয়। খেলা ঘিরে প্রতিবছর এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।
কমিটির সভাপতি আসগর আনসারি বলেন, জেলার আটটি দল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। প্রতিবছর গোপীনাথপুরের মাঠে খেলার জন্য খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ থাকে।
খেলার আয়োজক তথা কমিটির সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন আনসারী বলেন, যুব সমাজকে মাঠমুখী করতে প্রতিবছর ক্রিকেট প্রতিযোগিতা করানো হয়। খেলা ঘিরে প্রতিবছর এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।
কমিটির সভাপতি আসগর আনসারি বলেন, জেলার আটটি দল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। প্রতিবছর গোপীনাথপুরের মাঠে খেলার জন্য খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ থাকে।



