সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: শিক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্য গঠনে খেলাধুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। খেলাধুলোর মাধ্যমে জীবনের সফলতা লাভ করা যায়। ছাত্র তথা যুব সমাজকে সেই বার্তা দিতেই রবিবার সাঁতুড়ি ব্লকের প্রাথমিক শিক্ষকদের তরফে এক দিবসীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে যুব সমাজকে মাঠমুখী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এদিন ঢেঁকশিলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে খেলাটি হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাঁতুড়ির অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুরজিৎ রায়, জেলা পরিষদ সদস্য কমল মণ্ডল, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজক তথা সাঁতুড়ি ব্লক তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষা সেলের সভাপতি ভবদেব মণ্ডল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক নিজেও মাঠে নেমে খেলেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন খেলায় ব্লক এলাকার সাঁতুড়ি, টাঁড়াবাড়ি, গড়শিকা, রামচন্দ্রপুর-কোটালডি, মুরাডি ও বালিতোড়া ছ’টি পঞ্চায়েত মুখোমুখি হয়। মোট ৯০ জন শিক্ষক খেলায় অংশগ্রহণ করেন। ফাইনালে টাঁড়াবাড়ি পঞ্চায়েত টিম রামচন্দ্রপুর-কোটালডি টিমের মুখোমুখি হয়। ফাইনালে টাঁড়াবাড়ি পঞ্চায়েত টিম জয়ী হয়।
শিক্ষকরা জানান, বর্তমান যুবসমাজ মাঠ বিমুখ হয়ে পড়েছে। সব সময় মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকছে। ছাত্র তথা যুব সমাজের শিক্ষার পাশাপাশি শরীর ও স্বাস্থ্য গঠনে খেলার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। খেলার আয়োজক ভবদেববাবু বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ নজর দিয়েছেন। সন্তোষ ট্রফি জয়ী বাংলার খেলোয়াড়দের চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। শুধু তাই নয়, খেলায় যাঁরা ভালো তাঁদের সিভিক ভলান্টিয়ার, হোমগার্ডের মতো চাকরিও দেওয়া হচ্ছে। ফলে চেষ্টা করলে একজন যুবক-যুবতী খেলাধুলোর মাধ্যমে সফল হতে পারবে। গ্রাম বাংলায় প্রচুর মাঠ রয়েছে। কিন্তু, খেলোয়াড়ের অভাবে মাঠগুলিতে তেমন খেলাধুলো হয় না। তাই যুব সমাজকে মাঠমুখী করার জন্য আমরা শিক্ষকরা এগিয়ে এসেছি। সুরজিৎবাবু বলেন, খেলায় ব্লক এলাকার ২০০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৯০ জন খেলেছেন। মাঠ ছেড়ে দেওয়া শিক্ষকদের অন্য রকম খেলা দেখতে বহু দর্শক ভিড় করেন।
শিক্ষকরা জানান, বর্তমান যুবসমাজ মাঠ বিমুখ হয়ে পড়েছে। সব সময় মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকছে। ছাত্র তথা যুব সমাজের শিক্ষার পাশাপাশি শরীর ও স্বাস্থ্য গঠনে খেলার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। খেলার আয়োজক ভবদেববাবু বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ নজর দিয়েছেন। সন্তোষ ট্রফি জয়ী বাংলার খেলোয়াড়দের চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। শুধু তাই নয়, খেলায় যাঁরা ভালো তাঁদের সিভিক ভলান্টিয়ার, হোমগার্ডের মতো চাকরিও দেওয়া হচ্ছে। ফলে চেষ্টা করলে একজন যুবক-যুবতী খেলাধুলোর মাধ্যমে সফল হতে পারবে। গ্রাম বাংলায় প্রচুর মাঠ রয়েছে। কিন্তু, খেলোয়াড়ের অভাবে মাঠগুলিতে তেমন খেলাধুলো হয় না। তাই যুব সমাজকে মাঠমুখী করার জন্য আমরা শিক্ষকরা এগিয়ে এসেছি। সুরজিৎবাবু বলেন, খেলায় ব্লক এলাকার ২০০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৯০ জন খেলেছেন। মাঠ ছেড়ে দেওয়া শিক্ষকদের অন্য রকম খেলা দেখতে বহু দর্শক ভিড় করেন।



