Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মহাকালী ও ৫১ মহাসতীপীঠের আরাধনা, হলদিয়ার বড়বাড়িতে উপচে পড়া ভিড়

মহাকালী ও ৫১ মহাসতীপীঠের আরাধনা, হলদিয়ার বড়বাড়িতে উপচে পড়া ভিড়
  • ২৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হলদিয়া: হলদিয়ার বড়বাড়ি গ্রামের মহাকালী পুজো ও একান্ন মহাসতীপীঠের আরাধনা উৎসবে ভিড় উপচে পড়ল। মহাকালী প্রতিমা, শিব সহ একান্ন মহাসতীপীঠের ৫৩ দেবদেবীর মূর্তি দর্শনে গ্রামমুখী শিল্পশহর হলদিয়া। বড়বাড়ি গ্রামের শতবর্ষ প্রাচীন গঙ্গেশ্বর শিব বিখ্যাত। অক্ষয় তৃতীয়ায় শিবের মেলা বসে। জেলার প্রাচীন শিবের মেলাগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। বাইরে থেকে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়। এখন বড়বাড়ি গ্রাম মহাকালী পুজোর জন্য পরিচিত হয়ে উঠেছে। শনিবার থেকে বড়বাড়ি দক্ষিণ-পূর্ব পল্লি গ্রামবাসীবৃন্দের আয়োজনে চারদিনের এই পুজো ও উৎসব শুরু হয়েছে। ওইদিন সকাল থেকে মেঘলা আকাশ ও দফায় দফায় বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ভিড় জমান দর্শনার্থীরা। রাতভর হাজার হাজার মানুষ প্রতিমা দর্শন করেন। ১৩০ জন পুরোহিতের মন্ত্রোচারণ ও তন্ত্র আরাধনার মধ্য দিয়ে পুজো ও মাতৃবন্দনা চলে। ভক্তদের ফল ও ডালি পুজো দেওয়ার দীর্ঘ লাইন পড়ে। সারারাত ভিড় সামাল দিতে কমিটির ভলান্টিয়ার ও পুলিস-প্রশাসনকে হিমশিম খেতে হয়। পুজো শেষে রবিবার ভোরে পাঁচ কুইন্টাল বাতাসা হরিরলুট হয়েছে। এদিন দুপুরে পুজোর বড় আকর্ষণ ছিল মহাকালীর ভোগ বিতরণ। পনেরো হাজার মানুষ মায়ের প্রসাদ পেয়েছেন। ভোগপ্রসাদে ছিল আলুভাজা, ভাত, মুগের ডাল, শুক্তো, কুমড়োর ঘণ্ট, চাটনি ও পায়েস। রাতে ভারততীর্থ অপেরা পরিবেশিত ‘আমি বেইমানের বংশধর’ পরিবেশিত হয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আগামী মঙ্গলবার সমাপ্তির দিনে রয়েছে বিচিত্রানুষ্ঠান। 

Advertisement

পুজো কমিটির সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ মান্না ও যুগ্ম সম্পাদক ব্রজেন্দ্রনাথ তুঙ্গ বলেন, পুজোয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গোটা এলাকা সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি জলদান শিবির ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্যাম্প রয়েছে। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় বিকেল থেকেই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। রঙিন আলোয় সেজে উঠেছে সারা গ্রাম।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ