Bartaman Logo
১ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সনাতনী মতে আরাধনা! টাকার বিনিময়ে ভিআইপি পাস বিতরণ বরদাস্ত নয়, জন্মলগ্নেই বার্তা পুজো সমন্বয় সমিতির

সনাতনের পুজো, সনাতনীদের মতো করেই হবে। দুর্গাপুজোয় ভিআইপি কালচার চলবে না। ভিআইপি পাসের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

সনাতনী মতে আরাধনা! টাকার বিনিময়ে ভিআইপি পাস বিতরণ বরদাস্ত নয়, জন্মলগ্নেই বার্তা পুজো সমন্বয় সমিতির
  • ১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সনাতনের পুজো, সনাতনীদের মতো করেই হবে। দুর্গাপুজোয় ভিআইপি কালচার চলবে না। ভিআইপি পাসের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ জরুরি। পশ্চিমবঙ্গ দুর্গাপুজো সমন্বয় সমিতি নামে এক সংগঠনের সূচনায় বুধবার শুরুতেই উদ্যোক্তারা এই বার্তা দিলেন। সাফ জানিয়ে দিলেন, ভিআইপি টিকিট দেওয়ার বিনিময়ে আর্থিক লেনদেন বরদাস্ত করবেন না তাঁরা। যদিও, এই সমিতির একটি ব্যানারে দশভূজার ছবি বিকৃত করে পরিবেশন করার অভিযোগ ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়। পরে অবশ্য সেই ছবি সরিয়ে নতুন চিত্র আসে তাঁদের পোস্টারে। দুর্গাপুজোর মুখে রাজ্যের বিভিন্ন পুজোকমিটিরআরও এক যৌথ মঞ্চের পথচলা শুরু হল এদিন। কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করে তাঁরা জানান, কমিটির চেয়ারম্যান কার্তিক মহারাজ, সভাপতি হলেন রুদ্রনীল ঘোষ। এছাড়াও রয়েছেন সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ সাহা, অন্যতম সাধারণ সম্পাদক প্রতীম সরকার, সহ সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, অনুপম ভট্টাচার্য প্রমুখ। আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মানব গুহ, কেয়া ঘোষ সহ বিভিন্ন পুজো কমিটির কর্মকর্তারা। পশ্চিমবঙ্গ পুজো সমন্বয় সমিতির বক্তব্য, ভিআইপির ক্যাটাগরি ঠিক করতে হবে। বয়স্ক মানুষকে ভিআইপি পাস দেওয়া উচিত। বাকি ক্ষেত্রে ভিআইপি কালচার বন্ধ হওয়া দরকার। এদিন রুদ্রনীল বলেন, মায়ের পুজোয় টাকার বিনিময়ে ভিআইপি পাস বিক্রি বরদাস্ত নয়। আমরা এই সমিতির তরফে এক টাকাও নেব না। আমরা মনে করি, পয়সা দিলেই ভিআইপি হয় না। প্রতীম সরকার বলেন, আমরা দেখেছি এতদিন যে ফোরাম ছিল, সেটির কর্মকর্তারা ভবানীপুর নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দলের হয় খেটেছে। এতদিন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছিল। অনেকেই মানতে পারছিল না। তাই এই নতুন প্রতিষ্ঠান। পুলিশের দ্বারস্থ হব। কাউকে ভিআইপি পাস বিক্রি করতে দেব না। 

Advertisement

বালিগঞ্জ ক্যালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক চিকিৎসক সপ্তর্ষি বসু। তিনি বলেন, ভিআইপি সংস্কৃতিতে আমরা বহুদিন বিশ্বাস করি না। তাই আমরা বিশেষ আমন্ত্রণপত্র দিয়ে থাকি। নতুন মঞ্চকে স্বাগত। একসঙ্গে অনেক পুজো কমিটি, ছোটো-বড়ো নির্বিশেষে কাজ করব। 
এদিন নতুন সমিতির লোগো ও ওয়েবসাইট উন্মোচন করা হয়। যার মাধ্যমে জেলা থেকে কলকাতা এক ক্লিকেই দর্শকরা জানতে পারবেন এই মঞ্চে থাকা পুজো কমিটিগুলোর নাম ও মণ্ডপের লোকেশন। এদিন অনুষ্ঠান শেষে নেতাজী, স্বামীজির সঙ্গেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তিতে মাল্যদান করা হয়। ইতিমধ্যে ৭৭৮টি পুজো যুক্ত হয়েছে নতুন সংগঠনের সঙ্গে। তাঁদের বার্তা, দুর্গাপুজো হিন্দুদের পুজো। সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিতে হবে না। থিমে ওসব টানবেন না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ