Bartaman Logo
১ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সল্টলেকে জিমের সামগ্রী কেনার জন্য ৩৯ লক্ষের বরাত, টাকা নিয়ে বেপাত্তা

সল্টলেকে নতুন জিম খুলতে গিয়ে বিপাকে পড়লেন ব্যবসায়ী। জিমের জন্য বিদেশী ব্র্যান্ডের সামগ্রী কেনার টাকা নিয়ে বেপাত্তা হয়েছে চারজন!

সল্টলেকে জিমের সামগ্রী কেনার জন্য ৩৯ লক্ষের বরাত, টাকা নিয়ে বেপাত্তা
  • ১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সল্টলেকে নতুন জিম খুলতে গিয়ে বিপাকে পড়লেন ব্যবসায়ী। জিমের জন্য বিদেশী ব্র্যান্ডের সামগ্রী কেনার টাকা নিয়ে বেপাত্তা হয়েছে চারজন! অভিযোগ, কম দামে বিদেশী ব্র্যান্ডের সামগ্রী দেওয়ার জন্য ৩৯ লক্ষ টাকার বরাত নেয় তারা। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলেও কোনো সামগ্রী সরবরাহ করা হয়নি। জিমের মালিক টাকা ফেরত চাইলে তাঁকে ভুয়ো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের চেক দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ব্যবসায়ীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই চারজনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা রুজু করেছে পুলিশ। লালবাজার জানিয়েছে, অভিযোগকারী জয়কৃষ সিংহানিয়া। সল্টলেকের বি এল ব্লকের বাসিন্দা তিনি। সেখানেই একটি জিম খোলার জন্য জায়গা কেনেন তিনি। জিমের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনতে একটি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। অভিযোগকারীর দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ওই কোম্পানির বিষয়ে জানতে পারেন। ফোনে যোগাযোগ করে জিমের সামগ্রী কেনার জন্য অর্ডার দিতে চান জয়কৃষ। ঠিক হয়, শিয়ালদহ চত্বরের একটি হোটেলে ‘ডিল’ হবে। সেই মতো মুচিপাড়া থানা এলাকার এ জে সি বোস রোডের একটি হোটেলে ডেকে পাঠানো হয় ব্যবসায়ীকে। সেখানে হাজির ছিল ওই চারজন। পুলিশকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, তাদের নাম শিবম জয়সওয়াল, বিজয় জয়সওয়াল, জ্যোতি জয়সওয়াল ও সিদ্ধার্থ দত্ত। মোট চারটি ট্রেডমিল, স্টেপমিল, লেগপ্রেস মেশিন, ২টি কেবল ক্রসওভার মেশিনসহ মোট ৪০টি সামগ্রী কেনার বরাত দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৯ লক্ষ টাকার বিল দেওয়া হয় ব্যবসায়ীকে। মোট ৫ দফায় পুরো টাকা মিটিয়ে দেন তিনি। অভিযোগ, টাকা পাওয়ার পরই ব্যবসায়ীর ফোন ধরা বন্ধ করে দেয় তারা। একবার ফোন ধরলে টাকা ফেরত চান ব্যবসায়ী। তখন তাঁকে ভুয়ো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে চেক ধরিয়ে দেয় অভিযুক্তরা। সেই চেক ব্যাংকে দিতেই ‘বাউন্স’ করে। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে প্রাথমিকভাবে বিধাননগর উত্তর থানায় যোগাযোগ করেন ব্যবসায়ী। কিন্তু ঘটনাস্থল শিয়ালদহ হওয়ায় তাঁকে মুচিপাড়া থানায় পাঠানো হয়। সেখানেই লিখিত অভিযোগ করেন জয়কৃষ।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ