Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাস্তায় চাঁদা তোলার নিদান শমীকের, সুফল নিয়ে সংশয়ে কর্মীরাই

জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলুন। রাস্তায় বেরিয়ে পাঁচ-দশ টাকা সংগ্রহ করুন। সেই টাকায় স্ট্রিট কর্নারসহ সাংগঠনিক কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ুন।

রাস্তায় চাঁদা তোলার নিদান শমীকের, সুফল নিয়ে সংশয়ে কর্মীরাই
  • ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলুন। রাস্তায় বেরিয়ে পাঁচ-দশ টাকা সংগ্রহ করুন। সেই টাকায় স্ট্রিট কর্নারসহ সাংগঠনিক কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। রবিবার দুপুরে পানিহাটিতে স্বর্গীয় কার্যকর্তাদের স্মরণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে এসে এই কথা বলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি নিজেও পকেট থেকে হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে এই কর্মসূচির সূচনা করে যান। এনিয়ে দলের অভ্যন্তরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। 

Advertisement

দেশের অন্যতম ধনী দল বিজেপি। প্রতিটি রাজ্যের নির্বাচনি প্রচারে কয়েকশো কোটি টাকা খরচ করে। এই রাজ্যের নির্বাচনগুলিতে গেরুয়া শিবিরের অর্থের প্রতিপত্তি দেখেছে সাধারণ মানুষ। শুধু অর্থের প্রতিপত্তি নয়, সেই টাকা নিয়ে নয়ছয়, দলের নেতাদের মধ্যে অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে তীব্র কাজিয়াও প্রকাশ্যে এসেছে। দলের প্রাক্তন সভাপতি তথা প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায় নেতাদের কামিনীকাঞ্চন যোগ নিয়ে সরব হয়েছিলেন। চলতি বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে দেওয়াল লিখনের কাজ শুরু করে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। সেই দেওয়াল লিখনের জন্যও ভাড়াটে সেনা হাজির করানো হচ্ছে। দল থেকে আসা অর্থ খরচ করে সেই কাজ হচ্ছে। সেই টাকার সঠিক ব্যবহার নিয়েও দলের অভ্যন্তরে প্রশ্ন রয়েছে। 
এই পরিস্থিতিতে শমীকবাবুর বার্তা দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে গুঞ্জনের জন্ম দিয়েছে। বিজেপির একাধিক আদি নেতা বলেন, একসময় দল ক্ষমতার ধারেকাছে ছিল না। তখন নিজেদের পকেট থেকে এবং রাস্তা থেকে চাঁদা তুলে দল করেছি। তখন এই জমিদারি সংস্কৃতি ছিল না। এখন তো দল থেকে টাকা, গাড়ি আসে। দেখি খোলামকুচির মতো সবাই টাকা ওড়ায়। কেউ আবার পদ পেয়ে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়। শমীকবাবুর কথায় এই সংস্কৃতির বদল আদৌ হবে কি না, সংশয় তা নিয়েই। দলের কলকাতা উত্তর শহরতলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি চণ্ডীচরণ রায় বলেন, দলের রাজ্য সভাপতি রাস্তায় নেমে চাঁদা তোলার মাধ্যমে জনসংযোগ ও আরো বেশি স্ট্রিটকর্নার করার কথা বলে গিয়েছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ