নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কর্মক্ষেত্রেই আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক কর্মী। সুইসাইড নোটে লিখেছেন— ‘কাজের প্রচণ্ড চাপ। সেই চাপ আর সহ্য করতে পারছি না। তাই নিজেকে শেষ করে দিচ্ছি।’
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কর্মক্ষেত্রেই আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক কর্মী। সুইসাইড নোটে লিখেছেন— ‘কাজের প্রচণ্ড চাপ। সেই চাপ আর সহ্য করতে পারছি না। তাই নিজেকে শেষ করে দিচ্ছি।’
এন্টালি পোস্ট অফিসে ওই সিনিয়র পোস্টম্যানের আত্মহত্যার চেষ্টায় হইচই শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে। বাথরুমের ভিতর থেকে অচৈতন্য অবস্থায় ওই কর্মীকে উদ্ধার করে পুলিস। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এন আর এস মেডিক্যাল কলেজে। চিকিৎসকরা জানান, ঠিক সময়ে উদ্ধারের জন্য ওই সিনিয়র পোস্টম্যান জীবিত রয়েছেন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। পুলিস সূত্রে, এদিন সকালে অফিস এসেছিলেন চল্লিশোর্ধ ওই ব্যক্তি। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ ধরে তাঁর দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। অন্যান্য সহকর্মীরা সিনিয়র পোস্টম্যানের খোঁজ শুরু করেন। শৌচালয়ের দরজা ভিতর থেকে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ দেখে সন্দেহ হয় সহকর্মীদের। ধাক্কাধাক্কি করলেও খোলেনি কেউ। এরপর সহকর্মীরাই সেই দরজা ভেঙে ফেলেন। ততক্ষণে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়েছেন সিনিয়র পোস্টম্যান। শৌচালয় থেকেই উদ্ধার হয় সুইসাইড নোট। ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায়। তৎক্ষণাৎ ডাককর্মীকে উদ্ধার করে পুলিসে খবর দেন সহকর্মীরা। একটি ট্যাক্সিতে চাপিয়ে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের দাবি, উদ্ধার করতে আর কয়েক সেকেন্ড দেরি করলেই মৃত্যু হতে পারত।
অন্যদিকে, বুধবার সকালে পাটুলি সংলগ্ন একটি হাসপাতাল থেকে এক কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নাম শিবনাথ নস্কর (৫২)। পুলিস সূত্রে খবর, দেনার দায়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি। দেহ ময়নাতদন্তে জন্য পাঠানো হয়েছে।