সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা-কোচবিহার রাজ্য সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। ইতিমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। পূর্তদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিকারপুর থেকে ঘুঘুমারি পর্যন্ত প্রায় ৪২ কিমি রাস্তা তিন মিটার প্রশস্ত করা হবে। চ্যাংরাবান্ধা থেকে শিকারপুর পর্যন্ত একইভাবে রাস্তা প্রশস্ত করা হয়েছে। এই রাস্তা মাথাভাঙা পুরসভার ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ড দিয়ে গিয়েছে। দাবি উঠছে, শহর এলাকার প্রায় দুই কিমি রাস্তা ওয়ানওয়ে করারও। ইতিমধ্যে পুরসভাও বিষয়টি পূর্তদপ্তরে জানিয়েছে। যদিও পূর্তদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে তারাই সিদ্ধান্ত নেবে।
মাথাভাঙা কলেজের পর থেকে পুরসভা এলাকা শুরু। শেষ হয়েছে পঞ্চানন মোড় সংলগ্ন ধোদ্ধোরা সেতুর কাছে। পুরসভা এলাকার এই জায়গায় রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি মোড়। কলেজ মোড়, ময়নাতলি মোড়, পচাগড় মোড়। দিনভর এই এলাকায় যানজট লেগেই থাকে। শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার উদয়শঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, পচাগড় মোড় থেকে কলেজ মোড় এলাকায় সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। এই এলাকায় একাধিক পণ্যবাহী গাড়ির যাতায়াত করার কারণে সাধারণ মানুষজনকে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ওয়ানওয়ে হলে সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা তরুণ বর্মন বলেন, শহর এলাকায় রাস্তাটি আরও বেশি চওড়া করার প্রয়োজন রয়েছে। বিষয়টি পূর্তদপ্তর সহ পুরসভাকে জানানো হয়েছে। আমরা আশা করছি, রাস্তাটি চওড়া করার কাজ শুরু হলে ওয়ানওয়ে করা হবে।
মাথাভাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, পুরসভা এলাকায় প্রায় দুই কিমি রাস্তা রয়েছে এই রাজ্য সড়কের। রাস্তাটি সম্প্রসারণ করার কথা জানার পরই আমরা বিষয়টি পূর্তদপ্তরকে জানিয়েছি। আমরা আশা করছি, পূর্তদপ্তর আমাদের প্রস্তাব অনুযায়ী কাজ করবে।
পূর্তদপ্তরের মাথাভাঙার সহকারী বাস্তুকার (সড়ক) শঙ্কর রায় বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী এক-দু’মাসের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়ার কাজ সম্পন্ন হবে। বর্তমানে রাজ্য সড়কটি সাত মিটার চওড়া রয়েছে। সেটি দশ মিটার চওড়া করা হবে। শহর এলাকায় ওয়ানওয়ে করার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এনিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।
এই রাস্তা ওয়ানওয়ে করার দাবি।