নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: প্রায় দু’বছর অতিক্রান্ত। কিন্তু এখনও পর্যন্ত জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। যার জন্য দুবরাজপুরে বাইপাসের কাজ আজও শুরু করা সম্ভব হয়নি। যদিও প্রশাসনিক কর্তারা আশার বাণী শুনিয়ে চলেছেন। তাঁদের দাবি, জমি অধিগ্রহণ অর্ধেকের বেশি সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। বাকি অধিগ্রহণ খুব তাড়াতাড়ি শেষ করা হবে। অন্য দিকে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের তরফে জানা গিয়েছে, মোট জমির প্রায় ৯০ শতাংশ অধিগ্রহণের কাজ শেষ হলেই রাস্তা নির্মাণ শুরু হবে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। তবে সঠিক কবে কাজ শুরু হবে তা কেউই স্পষ্ট করে বলতে পারছে না। স্বাভাবিকভাবেই দুবরাজপুর বাইপাসের কাজ এখনও অনিশ্চিত। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া জারি রয়েছে। খুব দ্রুত সেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
দুবরাজপুর শহরের মাঝ দিয়ে চলে গিয়েছে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক। ওই পথ ধরে সিউড়ি হয়ে আসানসোল, রানিগঞ্জ, বাঁকুড়া সহ নানা রুটের বাস ও গাড়ি চলাচল করে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গগামী একাধিক দূরপাল্লার গাড়িও দিনভর জাতীয় সড়ক ধরে চলাচল করে। শহরের বুক চিরে চলে যাওয়া সংকীর্ণ জাতীয় সড়কে প্রবল যানজট হয়। মাঝেমধ্যেই শহর থমকে যায়। সমস্যা সমাধানে বাইপাসের দাবি তুলেছিলেন স্থানীয়রা। অবশেষে সেই দাবিতে সিলমোহর পড়ে। দু’বছর আগে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে ৫.৬৭৫কিলোমিটার দীর্ঘ দুবরাজপুর বাইপাসের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়। যদিও এখনও অবধি ৬০ শতাংশের কিছুটা বেশি জমি অধিগ্রহণ হয়েছে। কিছু জটিলতার জেরে বাকি জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলছে। যদিও প্রশাসনিক কর্তাদের দাবি, অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় সমস্ত জমি অধিগ্রহণ করা সম্ভব হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সাতকেন্দুরি থেকে বাইপাস শুরু হবে। শহর এড়িয়ে সেই রাস্তা কোল্ড স্টোরেজ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে পুনরায় জাতীয় সড়কে মিশবে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই জমি অধিগ্রহণ শেষে ফোরলেন বাইপাসের কাজ শুরুর কথা হয়েছিল। তবে জমি অধিগ্রহণ শেষ না হওয়ায় তা বিশবাঁও জলে। যদিও ৫৬০.৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে দুবরাজপুর বাইপাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে সমস্ত প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে। -নিজস্ব চিত্র