Bartaman Logo
১২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ময়নাগুড়ি শহরে পুরুষের থেকে বেশি ভোট মহিলাদের

ময়নাগুড়ি গ্রামীণ এলাকা থেকে পুরসভায় রূপান্তরিত হওয়ার পর প্রথম বিধানসভা নির্বাচন হল গত ২৩ এপ্রিল। ভোটের দিন বুথে বসা রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুরুষের তুলনায় ইভিএমে ভোট বেশি পড়েছে মহিলাদের।

ময়নাগুড়ি শহরে পুরুষের থেকে বেশি ভোট মহিলাদের
  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ময়নাগুড়ি গ্রামীণ এলাকা থেকে পুরসভায় রূপান্তরিত হওয়ার পর প্রথম বিধানসভা নির্বাচন হল গত ২৩ এপ্রিল। ভোটের দিন বুথে বসা রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুরুষের তুলনায় ইভিএমে ভোট বেশি পড়েছে মহিলাদের। এদিকে, এই তথ্য সামনে আসার পর তৃণমূল ও বিজেপি দুই দলই দাবি করছে, মহিলা ভোট তারা নিজেদের দিকে টানতে পেরেছে। তৃণমূল দাবি করেছে, রূপশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে মহিলারা তাদের উজার করে ভোট দিয়েছে। অন্যদিকে, পদ্ম শিবিরের দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্প আনতে যাচ্ছে, যা ইতিমধ্যেই প্রস্তাব আকাশে পেশ করেছে। তাই বিজেপিকে রাজ্যে ক্ষমতায় আনতে মহিলারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটে অংশগ্রহণ করেছেন। 

Advertisement

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ময়নাগুড়ি শহরে মোট ভোট পড়েছে ২১ হাজার ৫৫১টি। এরমধ্যে ১০ হাজার ৪৬৫টি পুরুষ ভোট এবং ১১ হাজার ৮৬টি মহিলা ভোট পড়েছে। শহরে তিনটি অক্সিলিয়ারি বুথ সহ মোট ৩০টি বুথে ৬২১টি মহিলা ভোট বেশি পড়েছে। তৃণমূলের দাবি, শহরের মহিলা ও পুরুষ ভোটাররা উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। পালটা বিজেপির দাবি, এই ভোট পড়েছে পরিবর্তনের পক্ষে। 
প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে ময়নাগুড়ি গ্রামীণ এলাকা থেকে পুরসভা হয়েছে। ১৭টি ওয়ার্ড নিয়ে এই পুরসভা গঠিত। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ঝুলন সান্যাল বলেন, দলীয় এজেন্টদের সঙ্গে কথা হয়েছে। শহরের ১৭টি ওয়ার্ডে আমরাই এগিয়ে থাকছি। তৃণমূলের ময়নাগুড়ি টাউন সহ সভাপতি সজল বিশ্বাস বলেন, চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ময়নাগুড়ি শহরে আমরা পিছিয়ে ছিলাম। তবে এবার শহরে উন্নয়নের পক্ষে মানুষ শামিল হয়েছে। গ্রাম থেকে পুরসভা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুর এলাকায় প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। গ্রিনসিটি মিশনে কাজ হয়েছে। ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’-এর মধ্য দিয়ে ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, নিকাশি নালা সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ বাসিন্দারা করিয়ে নিয়েছেন। পানীয় জলের প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। বাড়ি থেকেই বর্জ্য সংগ্রহ চলছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বৃদ্ধি হয়েছে। যুবসাথীর টাকা পাচ্ছে বহু ছেলেমেয়ে। প্রচুর প্রকল্প রয়েছে। যার সুবিধা লোকজন নিচ্ছে। এসআইআরের নামে লোকজনকে লাইনে দাঁড় করিয়ে হেনস্তা করল কেন্দ্র সরকার। তাই মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছে। ৪ মে সবুজ আবির খেলা হবে। 
অন্যদিকে, বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সহ সভাপতি চঞ্চল সরকার বলেন, কী উন্নয়ন হয়েছে সেটা মানুষ ভালোভাবে জানে। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের ভাতা দ্বিগুণের বেশি হবে। এই আসন আমাদেরই থাকবে। লোকসভা নির্বাচনের লিডের থেকেও বেশি ভোটে আমাদের প্রার্থী জয়ী হবেন। মানুষ এবার পরিবর্তন আনবেই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ