Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিউড়িতে মহিলারা দক্ষতার সঙ্গে চালাচ্ছেন ক্যান্টিন, হোম ডেলিভারি

সিউড়িতে মহিলারা দক্ষতার সঙ্গে চালাচ্ছেন ক্যান্টিন, হোম ডেলিভারি
  • ১৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: সংসারের হেঁসেল সামলেও তাঁরা দক্ষতার সঙ্গে ক্যান্টিন পরিচালনা করে চলেছেন। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে হোম ডেলিভারির কাজও চলছে। তাতে আয়ের পথ ধীরে ধীরে সুগম হতে শুরু করেছে। ক্রমশ স্বনির্ভর হয়ে উঠেছেন সিউড়ির নমিতা মণ্ডল, বাবলি দাস, প্রিয়াঙ্কা দে দাস সহ মোট সাত মহিলা। তাঁরা সকলেই মাতৃবন্ধন সোসাইটির সদস্য। নমিতা ও প্রিয়াঙ্কা বলেন, আমাদের লক্ষ্য এই ক্যান্টিনটি আরও বড় আকারে গড়ে তোলা। সেক্ষেত্রে ভালো একটা জায়গা প্রয়োজন। এছাড়াও কিছু আর্থিক সহায়তাও প্রয়োজন। এই দুই মিললে আমরা ক্যান্টিনটি আরও সাজিয়ে তুলব। সঙ্গে হোম ডেলিভারির কাজটা আরও বড় আকারে করার ইচ্ছে রয়েছে। 

Advertisement

একাধিক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে মাতৃবন্ধন সোসাইটি গড়ে উঠেছে। সোসাইটির অন্দরমহলে কিছুটা ঘুণও ধরেছে। যদিও সব বাধা কাটিয়ে সাত সদস্য স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সোসাইটির সদস্যরা কোভিডকালে ফিনাইল ও স্যানিটাইজার তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। তবে কোভিডকালে ইতি পড়তেই স্যানিটাইজারের চাহিদা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। যদিও ফিনাইলের চাহিদা এখনও বর্তমান। গোষ্ঠীর এক সদস্যা এখনও নিয়মিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফিনাইল বিক্রির কাজ করে চলেছেন। অন্যদিকে, আয়ের পথ সুগম করতে বছর চারেক আগে সোসাইটির সাত সদস্য ক্যান্টিন চালু করেন। সিউড়ি পুরসভার হাটজনবাজার এলাকায় অবস্থিত কৃষক বাজার চত্বরেই তাঁদের ক্যান্টিন রয়েছে। ওই ক্যান্টিনে নিয়মিত ভাত, ডাল, সব্জি, আলু-ভাজা, মাছ, ডিম পাওয়া যায়। মাংস অনিয়মিত। গোষ্ঠীর সদস্যরা জানাচ্ছেন, চাহিদা অনুসারে মাংস রান্না হয়। ক্যান্টিনে রীতিমতো পাত পেড়ে খাওয়ার সুবন্দোবস্ত রয়েছে। এছাড়াও হোম ডেলিভারির ব্যবস্থাও আছে। তবে, সেক্ষেত্রে অবশ্য ১০ টাকা বাড়তি চার্জ নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে মাস প্রতি আয় খুব একটা খারাপ নয়। 
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার ক্ষেত্রে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। স্বর্নিভর গোষ্ঠী তৈরির ক্ষেত্রে বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এখনও জেলাজুড়ে নতুন নতুন গোষ্ঠী গড়ে তোলার কাজ জারি রয়েছে। জেলাজুড়ে চলছে স্পেশাল ড্রাইভ। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ভাবনায় মহিলাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন চলছে। মহিলারা এখন আর বাড়ির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন। তাঁরাও এগিয়ে চলেছেন। আমরা তাঁদের পাশে সব সময় আছি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ