নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: সোমবার সবং থানার মোহাড় গ্রাম পঞ্চায়েতে খালের পাশে এক মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। জানা গিয়েছে, মৃতার নাম কৃষ্ণা দাস (৩০)। তাঁর বাড়ি সবং থানার কাঁটাখালি এলাকায়। তদন্তে নেমে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে সবং থানার পুলিস। একইসঙ্গে এলাকার বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। ওই গৃহবধূ আত্মঘাতী হয়েছেন নাকি খুন, তা নিয়ে জোর জল্পনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, স্থানীয় কালী মণ্ডপ খালের পাশ থেকেই দেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। পরে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ধরনের ঘটনা এলাকায় এই প্রথম ঘটেছে। জন প্রতিনিধিরাও বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর রাখছেন। গৃহবধূর দেহে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সরস্বতী ভূঁইয়া বলেন, মহিলা কাঁটাখালি এলাকায় থাকতেন। কীভাবে মারা গেলেন তা বোঝা যাচ্ছে না। দেহটির ময়নাতদন্ত করা হবে। আমরা চাই, কেউ এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকলে, তাকে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। সোমবার সকালে কালী মণ্ডপ খাল এলাকায় এক যুবক কৃষ্ণা দাসকে খালের ধারে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর খবর পেয়ে এলাকার বাসিন্দারা ভিড় জমান। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস। গৃহবধূর দেহটিকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, মৃতার স্বামী কৌশিক দাস দিনমজুর। বেশ কয়েকমাস আগে ওই গৃহবধূর সঙ্গে এক ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। কৃষ্ণা সেই প্রেমিকের কাছে চলে গিয়েছিলেন। তবে মাসখানেক আগে ফের তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন। সেই সময় থেকে কৌশিকের বাড়িতেই ছিলেন কৃষ্ণা। ঘটনার পর মৃতার স্বামীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সবং পঞ্চায়েত সমিতির জনপ্রতিনিধি প্রসাদ অধিকারী বলেন, পুলিস দ্রুত তদন্ত শুরু করেছে। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। দোষ করলে কেউ ছাড় পাবে না। পুলিস জানিয়েছে, ইতিমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।