Bartaman Logo
২৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মধ্যপ্রদেশের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্ত্রীর ৬ লক্ষ গায়েব, আনন্দপুর থেকে ধৃত মহিলা

মধ্যপ্রদেশের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্ত্রীর ৬ লক্ষ টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে গায়েব। আনন্দপুর থেকে গ্রেপ্তার আফরোজ সিরাজ খান। বিস্তারিত পড়ুন।

মধ্যপ্রদেশের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্ত্রীর ৬  লক্ষ গায়েব, আনন্দপুর থেকে ধৃত মহিলা
  • ২৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সাইবার জালিয়াতির শিকার মধ্যপ্রদেশের এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত মহিলা। কলকাতায় বসেই তাঁর সঙ্গে জালিয়াতি করা হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বৃদ্ধার অ্যাকাউন্ট থেকে ছ’লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় অভিযুক্ত। তদন্তে নেমে চক্রের মাথা এক মহিলাকে শনিবার রাতে আনন্দপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। আফরোজ সিরাজ খান নামের ওই মহিলাকে ট্রানজিট রিমান্ডে মধ্যপ্রদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, মধ্যপ্রদেশে জব্বলপুরের বাসিন্দা চৈতালি মৈত্র সেখানে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের পদস্থ কর্ত্রী ছিলেন। বছর দশেক আগে অবসর নেন। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে তাঁর মোবাইলে একটি ফোন আসে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মী পরিচয় দিয়ে তাঁর আইডি নম্বর জানায় প্রতারকরা। সেটি মিলে যাওয়ায় তিনি ভাবেন, ব্যাংক থেকেই ফোনটি এসেছে। ফোনের ওপার থেকে বলা হয়, ক্রেডিট কার্ডের অফার চলছে। এরজন্য টাকা লাগবে না। তাঁরা একটি ফর্ম পাঠাচ্ছে। ফর্মে থাকা লিংকে ক্লিক করে ফিল-আপ করতে হবে। তাহলেই ক্রেডিট কার্ড চলে আসবে বাড়িতে। প্রতারকদের কথায় বিশ্বাস করে তিনি লিংকে ক্লিক করেন এবং ফর্ম ফিল-আপ করেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তাঁর মোবাইলের দখল নেয় জালিয়াতরা। ব্যাংক থেকে উধাও হয়ে যায় ছ’লক্ষ টাকা। প্রতারিত হয়েছেন বুঝে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বৃদ্ধা। 
তদন্তে নেমে জব্বলপুর পুলিশ প্রথমে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছিল সেগুলি চিহ্নিত করা হয়। দেখা যায়, একটি কলকাতার অ্যাকাউন্ট। সেটি রয়েছে এক মহিলার নামে। সেখানে এক লক্ষ টাকা ঢুকেছে। জানা যায়, ওই মহিলাই প্রতারণা চক্র চালাচ্ছে। তার লোকজন ফোন করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে। আদালত থেকে ওই মহিলার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়। তা নিয়ে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ শনিবার আনন্দপুর এলাকায় পৌঁছায়। স্থানীয় থানাকে সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে জেরা করে জানা যায়, তার সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যের সাইবার জালিয়াতদের যোগ রয়েছে। কলকাতার একাধিক ব্যক্তি তার সঙ্গে কাজ করছে। চক্রের বাকিদের খোঁজ চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ