Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মলদ্বারে ৪৯ লক্ষ টাকার গুঁড়ো সোনা, দুবাইয়ের ফ্যাশন ডিজাইনার ধৃত

সোনার বিস্কুট কিংবা সোনার পেস্ট নয়। নলাকার আকৃতির প্যাকেটে মলদ্বারে ভরেছিল সোনার গুঁড়ো। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে ভারতে সেই সোনা পাচারের আগেই পেট্রাপোলে ধরা পড়ল দুবাইয়ের এক ফ্যাশন ডিজাইনার।

মলদ্বারে ৪৯ লক্ষ টাকার গুঁড়ো সোনা, দুবাইয়ের ফ্যাশন ডিজাইনার ধৃত
  • ৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সোনার বিস্কুট কিংবা সোনার পেস্ট নয়। নলাকার আকৃতির প্যাকেটে মলদ্বারে ভরেছিল সোনার গুঁড়ো। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে ভারতে সেই সোনা পাচারের আগেই পেট্রাপোলে ধরা পড়ল দুবাইয়ের এক ফ্যাশন ডিজাইনার। তার কাছ থেকে ৪৯ লক্ষ টাকার সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বিএসএফ জানিয়েছে, ধৃত যুবকের বাড়ি মুম্বইয়ে। এর আগে সে সোনা পাচার করেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। পুরনো রেকর্ড খতিয়ে দেখছেন বিএসএফের গোয়েন্দারা। তবে, এর আগে বাংলাদেশ থেকে মলদ্বারে সোনা পাচার করার সময় মুম্বইয়ের অন্য এক বাসিন্দা গ্রেপ্তার হয়েছে এই পেট্রাপোলেই। তাই ধৃত যুবকও সেই পুরনো চক্রে যুক্ত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে গত দু’সপ্তাহে মলদ্বার দিয়ে পাচারের ঘটনায় আড়াই ঩কেজির বেশি সোনা উদ্ধার হল। তার বাজারমূল্য দু’কোটি টাকারও বেশি।

Advertisement

বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সে দুবাই থেকে বাংলাদেশ হয়ে ভারতে আসছিল। আগে থেকে গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী সোনা পাচার রুখতে সতর্ক ছিলেন ১৪৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। পেট্রাপোল বন্দরে যাত্রী টার্মিনালে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা যাত্রীদের রুটিন তল্লাশির সময় এক যাত্রীর কার্যকলাপ দেখে সন্দেহ হয় জওয়ানদের। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করতেই যাত্রীর শরীরে লুকোনো ধাতব জিনিসের সন্ধান মেলে। জওয়ানদের জেরায় মলদ্বারে লুকিয়ে রাখা সোনার কথা স্বীকার করে নেয় পাচারকারী। বিএসএফের দাবি, প্রায় ৫৬৫ গ্রাম সোনা পাচারের চেষ্টা করেছিল সে। উদ্ধার হওয়া সোনার বাজার মূল্য ৪৯ লক্ষ ১৩ হাজার ৬২৪ টাকা।
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেরায় সে নিজেকে দুবাইয়ে কর্মরত ফ্যাশন ডিজাইনার বলে দাবি করেছে। তবে ধৃত ব্যক্তি সত্যিই ওই পেশায় যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত বছর এপ্রিল মাসে মহম্মদ আলি আবদুল্লা কাদের নামে মুম্বইয়ের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেও মলদ্বারে পেস্ট করা সোনা পাচার করছিল। তার বাড়িও ছিল মুম্বইয়ে। সোনার গুঁড়োকে জেল মাখিয়ে পেস্ট তৈরি করা হয়। তার আগে গত বছরের মার্চে জামহেরুমাইন কিজের মহম্মদ নামে চেন্নাইয়ের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেও মলদ্বারে সোনা পাচার করছিল। অর্থাৎ, ভিন রাজ্যের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সোনা পাচারের যোগ অতীতে মিলেছে। তাই এই ঘটনাটি পৃথক, নাকি পুরনো চক্রেরই কাজ, তার তদন্ত শুরু হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ