নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ২০ সেপ্টেম্বর সিএবি বার্ষিক সাধারণ সভা এবং নির্বাচন হওয়ার কথা। বৃহস্পতিবার অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে। সৌরভ গাঙ্গুলি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, সভাপতি পদে তিনি মনোনয়ন জমা দেবেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁর নির্বাচিত হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। যাবতীয় আগ্রহ সহ-সভাপতি, সচিব, যুগ্ম-সচিব এবং কোষাধ্যক্ষ পদ নিয়ে। প্রশ্ন হচ্ছে, কোন নিয়মে ভোট হবে সিএবি’তে? লোধা কমিটির নিয়ম মানলে একরকম অঙ্ক, আর স্পোর্টস বিল লাগু হলে অন্যরকম।
লোধার নিয়মে ক্রিকেট কর্তাদের বয়সের ঊর্দ্ধসীমা ৭০। কিন্তু স্পোর্টস বিলে সেটাই ৭৫ করা হয়েছে। অর্থাৎ, যে সব সিএবি কর্তা এতদিন বয়সের কারণে আটকে যাচ্ছিলেন, তাঁরা ফের সিএবি’র পদাধিকারী হওয়ার সুযোগ পাবেন। আবার কুলিং অফের নিয়মেও বিস্তর ফারাক। ছ’বছর মেয়াদ শেষ করে তিন বছরের জন্য কুলিং অফে যেতে হয় ক্রিকেট কর্তাদের। মোট ন’বছরের টার্ম। স্পোর্টস বিলে বলা হয়েছে, একটানা ১২ বছর থাকা যাবে পদে। তারপর চার বছরের কুলিং অফ। সেক্ষেত্রে একাধিক সিনিয়র ক্লাব কর্তা সিএবি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। বর্তমান সভাপতি স্নেহাশিস গাঙ্গুলির সামনে পথ খোলা। তিনি আরও ছ’বছর সময় পাবেন। তবে সৌরভ আগেই সভাপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করায় তিনি সরে দাঁড়াতে পারেন।
এখন দেখার বিসিসিআই কবে স্পোর্টস বিলের আওতায় আসে। শোনা যাচ্ছে, তিন মাস লাগতে পারে। তাই সেপ্টেম্বরে লোধার নিয়ম মেনে সিএবি নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু স্পোর্টস বিল চালু হলে সেই কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। সিএবি’র প্রাক্তন সভাপতি তথা আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য অভিষেক ডালমিয়া জানালেন, ‘এই বিলের অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে। অনেকেই লোধার কমিটির নিয়মে আটকে গিয়েছিলেন। আইন যদি কিছুটা শিথিল হয়, তাহলে তাঁদের পুনরায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে।’ স্পোর্টস বিলে বয়সের ঊর্দ্ধসীমা ৭৫ হওয়ায় ‘লাইফলাইন’ পেলেন বিসিসিআই সভাপতি রজার বিন্নিও।
এদিকে, সৌরভ ও স্নেহাশিসের মা নিরূপা দেবী অসুস্থ। জ্বর, গলা ব্যথার কারণে তাঁকে মঙ্গলবার রাতে বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।