Bartaman Logo
১৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দুর্যোগের জেরে উত্তাল সমুদ্র, যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা, ‘এরপর ফের ইলিশ মিলবে তো?’, চিন্তার ভাঁজ মৎস্যজীবীদের কপালে

দীর্ঘদিন খরা কাটানোর পর, ইলিশের ঝাঁক ধরা দিয়েছিল মৎস্যজীবীদের জালে। গত সাত দিনে ৪০০ গ্রাম বা তারও বেশি ওজনের ইলিশ প্রায় ১৫০ টন বাজারে এসেছে

দুর্যোগের জেরে উত্তাল সমুদ্র, যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা, ‘এরপর ফের ইলিশ মিলবে তো?’, চিন্তার ভাঁজ মৎস্যজীবীদের কপালে
  • ১৪ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

স্বপন দাস, কাকদ্বীপ: দীর্ঘদিন খরা কাটানোর পর, ইলিশের ঝাঁক ধরা দিয়েছিল মৎস্যজীবীদের জালে। গত সাত দিনে ৪০০ গ্রাম বা তারও বেশি ওজনের ইলিশ প্রায় ১৫০ টন বাজারে এসেছে। এছাড়াও ৩০০ গ্রামের ইলিশ ছেয়ে গিয়েছে মাছের বাজারগুলিতে। কিন্তু এরই মধ্যে আবারও ঘটল বিপত্তি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মৎস্যজীবীদের কপালে আবারও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাস জুড়ে কোনো ট্রলার সেভাবে সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরতে পারেনি। কারণ ওই মাসের বেশিরভাগ সময় সমুদ্র উত্তাল ছিল। ঢেউয়ের দাপটে মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে জাল ফেলতে পারেননি। এছাড়াও ওই মাসের বেশিরভাগ সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তাই দীর্ঘ প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মৎস্যজীবীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে সমুদ্রে ইলিশ ঝাঁকের দেখা মিলেছে। বেশিরভাগ ট্রলার ভালো পরিমাণ ইলিশ মাছ পেয়েছে। স্থানীয় মৎস্যজীবী নারায়ণ বিশ্বাস বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর সমুদ্রে ইলিশ ঝাঁকের দেখা মিলেছিল। বিভিন্ন সাইজের ইলিশও জালে ধরা দিচ্ছিল। এখন মাছের স্বাদও ভালো রয়েছে। কিন্তু আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এখন আগামী দিনে সমুদ্রে মাছ পাওয়ার ক্ষেত্রে আবার কি পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।’ সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর মৎস্যজীবীদের মুখে হাসি ফুটেছিল। ফের কপালে চিন্তার ভাঁজ। দুর্যোগ কেটে গেলে আগের মতো সমুদ্রে ইলিশের ঝাঁক থাকবে কি না, তা নিয়ে এখন সবাই চিন্তিত।’ অন্যদিকে, বুধবার রাতে সমুদ্র থেকে ফেরার পথে ট্রলার থেকে পড়ে  গিয়ে এক মৎস্যজীবী নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। নাম মন্টু প্রামাণিক। বাড়ি দক্ষিণ শিবপুর এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে বকখালি থেকে প্রায় ৬০ কিমি দূরে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ