নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: থ্রি ইডিয়টসের রঞ্ছোরদাস চাঁচড় বা ‘র্যাঞ্চো’ শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের চোখে বিদেশি এজেন্ট? লাদাখে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা অসন্তোষ এবং হিংসার জন্য ‘র্যাঞ্চো’ সোনাম ওয়াংচুকের নামই তুলে এনেছে কেন্দ্র। শুরু হয়েছে সিবিআই তদন্ত। এবং তা নাকি শুরু হয়েছে দু’মাস আগেই। এখানেই শেষ নয়। বুধবার ওয়াংচুকের অনশনস্থল থেকে লাদাখের আগুন জ্বলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন? অভিযোগ একঝাঁক। সেই সব অভিযোগ ও প্রশ্নের উত্তরের সন্ধানেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি। কখনও দেড় কোটি, কখনও ৬ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে ওয়াংচুকের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অব অলটারনেটিভের তহবিলে। কারা পাঠাল সেই বিপুল অর্থ? কী কারণে? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক মনে করছে নেপাল, বাংলাদেশের ধাঁচে জেন-জি আন্দোলন করে চরম অস্থিরতা তৈরির পিছনে লাদাখের ‘র্যাঞ্চো’ হিসেবে পরিচিত সোনামের প্ররোচনাই কাজ করেছে। সঙ্গে আর একটি প্রশ্ন— হঠাৎ গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওয়াংকচুক পাকিস্তানে গিয়েছিলেন কেন? শুধুই কি পরিবেশ সম্মেলন? নাকি অন্য কিছু? সোনাম কিন্তু বলেছেন, ‘দোষ চাপানোর জন্য ওরা এখন বলির পাঁঠা খুঁজছে। বলছে, আমার এনজিওতে বিদেশি অর্থ আসে। আফগানিস্তানের জন্য আমাদের তৈরি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েছিল রাষ্ট্রসংঘ। সে জন্য তারাই অর্থ দিয়েছিল আমাদের। বিদেশের অনুদান আমার চাই না বলেই এফসিআরএ অনুমোদন রাখিনি। রাষ্ট্রসংঘেরটা পারিশ্রমিক। তার জন্য ট্যাক্স দিয়েছি আমরা। যেভাবে সুইজারল্যান্ড, ইতালির সংস্থা আমাদের প্রযুক্তিগত শিক্ষার জন্য পারিশ্রমিক দিয়ে থাকে।’



