নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দমদম ও বেলঘরিয়া স্টেশনের মাঝে রেললাইনের পাশে গাছ থেকে ঝুলছে মৃতদেহ। জায়গাটি ৩০এ বাসস্ট্যান্ডের অদূরে। এমন ঘটনা নজরে আসার পর খবর যায় বারাকপুর কমিশনারেটের দমদম থানা ও কলকাতা পুলিসের সিঁথি থানায়। রেললাইনের পাশে হওয়ায় খবর পৌঁছয় দমদম জিআরপিতেও। কিন্তু গাছ থেকে দেহ নামাবে কে? তা নিয়ে শুরু হয় বেনজির টানাপোড়েন। ওই অবস্থায় দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা গাছে ঝুলতে থাকল দেহ। অবশেষে সেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল সিঁথি থানার পুলিস। লালবাজার জানিয়েছে, মৃতের নাম প্রশান্ত সাহা (২৬)। উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার বাসিন্দা তিনি। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সিঁথি থানার পুলিস। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ স্থানীয় কয়েকজন রিকশওয়ালা দেখেন, ট্রেন লাইনের ধারে গাছ থেকে ঝুলছে এক ব্যক্তির দেহ। গলায় দড়ির ফাঁস। নিমেষে সেই খবর চাউর হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা ভিড় জমান। জায়গাটি রেললাইন লাগোয়া হওয়ায় সবার আগে খবর পায় দমদম জিআরপি। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেল পুলিস। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তারা বুঝতে পারে, এলাকাটি রেল পুলিসের আওতাভুক্ত নয়। খবর যায় দমদম থানা ও সিঁথি থানায়। দুই থানা থেকে পুলিস সেখানে পৌঁছয়। এলাকাবাসীর দাবি, কোনও পক্ষই দেহ উদ্ধারে রাজি ছিল না প্রথমে। স্থানীয় বাসিন্দা অজয় সমাদ্দার বলেন, ‘আমরা সকাল থেকে দেখছি, পুলিস আসছে-যাচ্ছে, কিন্তু দেহ নামাচ্ছে না কেউ। পুলিসই একে অন্যের ঘাড়ে দায় চাপাতে ব্যস্ত।’



