সংবাদদাতা, মালদহ: কলকাতায় না গিয়েও ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসেই মন পড়ে রইল মালদহের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের অনেকেরই। বেলা গড়াতেই টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রেখেছিলেন তাঁরা।
সংবাদদাতা, মালদহ: কলকাতায় না গিয়েও ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসেই মন পড়ে রইল মালদহের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের অনেকেরই। বেলা গড়াতেই টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রেখেছিলেন তাঁরা।
দল দু’টি শিবিরে ভাগ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই দোদুল্যমান। কোন শিবিরের সঙ্গে থাকা সমীচীন হবে তা নিয়ে মনস্থির করে উঠতে পারেননি অনেকেই। কেউ কেউ স্বীকারও করে নিলেন সেই দোদুল্যমানতার কথা। আবার অনেকেই মুখে কুলুপ এঁটে থাকলেও শহিদ দিবসে দলের দুই শিবিরের কর্মসূচির দিকেই তীক্ষ্ণ নজর রাখলেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। তৃণমূল পরিচালিত ইংলিশবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী এদিন নিজের দলীয় কার্যালয়ের কাছে শহিদ বেদীতে দলীয় পতাকা ছাড়াই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। দল দু’টি শিবিরে ভাগ হয়ে যাওয়া নিয়ে এদিন আক্ষেপ ঝড়ে পড়ে তাঁর গলা থেকে। তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি যে অনিশ্চিত তারও আভাস মেলে কৃষ্ণেন্দুর কথায়।
অন্যদিকে ইংলিশবাজার শহর তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি শুভদীপ সান্যাল বলেন, দলের দুই শিবিরই দাবি করছে তারাই তৃণমূলের প্রতীক ও পতাকার আসল দাবিদার। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী হলেন দলের কর্মী সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ। তাই এদিন টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রেখে বোঝার চেষ্টা করেছি দলের নীচুতলার কর্মী-সমর্থকরা কোন শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন।
ইংলিশবাজার পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলার বলেন, দলকে ভালোবাসি। নেত্রীকেও শ্রদ্ধা করি। কিন্তু সময়ের নিয়মে দলের রাশ কার হাতে রয়েছে তা বুঝতে হচ্ছে।
দলের পতাকা ও প্রতীক যেদিকে থাকবে আমরা অনেকেই সেই দিকেই থাকব। দলের কর্মীরা কোন নেতৃত্বকে বেছে নিচ্ছেন তা বুঝতেই এদিন কলকাতায় না গিয়ে জেলাতে থেকেই এই প্রথমবার শহিদ দিবস দেখছি টিভিতে।