নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ওমানের আল সিবের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে শহরে ফিরল ইস্ট বেঙ্গল। দিল্লি হয়ে বুধবার রাতে কলকাতায় পা রাখেন রশিদরা। এসিএল টু’য়ের ম্যাচে যুবভারতীতে আগামী ৩ নভেম্বর ফের আল সিবের বিরুদ্ধে খেলবে হাবাস ব্রিগেড। গ্রুপ ‘ডি’তে ৩ ম্যাচে ২ পয়েন্ট ইস্ট বেঙ্গলের। মঙ্গলবার রাতে অপর ম্যাচে আল শোর্তার বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করেছে আল হুসেইন। ফলে পরের রাউন্ডে পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে রামিরেজদের। তার জন্য সবার আগে বাকি ২টি হোম ম্যাচ থেকে ৬ পয়েন্ট চাই। পাশাপাশি অন্য ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। কাজটা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।
এদিকে, ৭ নভেম্বর আইএসএলের অ্যাওয়ে ম্যাচে ইস্ট বেঙ্গলের প্রতিপক্ষ চেন্নাইয়ান। অর্থাৎ এসিএল খেলেই ছুটতে হবে চেন্নাই। ক্লান্ত ফুটবলারদের তরতাজা রাখাই টিম ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্য। ইস্ট বেঙ্গলের চেয়ে ১ পয়েন্টে পিছিয়ে আল সিব। ম্যাচের আগে ডেভিড, এডমুন্ডদের উপর বাজি ধরেছিলেন অনেকেই। প্রথমার্ধে সমানতালে লড়লেও বিরতির পর একেবারেই ফ্যাকাসে দেখায় ইস্ট বেঙ্গলকে। সাফল্য সবসময় অপ্রিয় সত্য ঢেকে দেয়। অন্যথায় প্রশ্ন তো উঠবেই। আল সিবের বিরুদ্ধে হাবাসের স্ট্র্যাটেজিও সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। ভারতীয় ফুটবলে পার্থক্য গড়ে দেন বিদেশিরাই। ইস্ট বেঙ্গলের প্রথম একাদশে রশিদ, রামিরেজ, জিভুলিচকে খেলাচ্ছেন স্প্যানিশ কোচ। লুকাস ও ইকোনমিডিস সেভাবে জার্সিই পান না। বিদেশিদের বসিয়ে রাখার যুক্তি বোঝা দায়। ম্যাচ না খেলালে বয়ে বেড়ানোর অর্থ কী? প্রাক্তন ফুটবলার বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বলেই দিলেন, ‘লুকাসদের আর কবে খেলানো হবে? শুনেছিলাম এএফসি’র কথা ভেবে আইএফএ শিল্ডকে সেভাবে গুরুত্ব দেননি স্প্যানিশ কোচ। কিন্তু আন্তর্জাতিক ম্যাচেও এত পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণ বোঝা দায়। ভারতীয় কোচ হলে নিশ্চিতভাবে জবাবদিহি করতে হত।’ দ্বিতীয়ার্ধে চাপের মুখে অনভিজ্ঞ আসিফ খানকে নামানো হয়। অথচ ছন্দে থাকা বিষ্ণু রইলেন ডাগ-আউটে। গোলকিপার লাচেনপা রুখে না দাঁড়ালে ১ পয়েন্ট জোটানোও মুশকিল ছিল। দুই স্টপার জিভুলিচ ও আনোয়ার উতরে দিলেও উইং-ব্যাক নিয়ে অস্বস্তি থকেছেই। অনেক আশা করে বরিস সিংকে রিক্রুট করেছিল ইস্ট বেঙ্গল। কিন্তু তিনি স্কোয়াডেই নেই। চোটের কারণে দীর্ঘসময় পাওয়া যাবে না দানিশ ফারুখকে। সবমিলিয়ে মোটেও স্বস্তিতে নেই ইস্ট বেঙ্গল।



