নিজস্ব প্রতিনিধি,নয়াদিল্লি: সবথেকে তৎপরতা রেড ফোর্টকে কেন্দ্র করে। আর তার মধ্যেই দিল্লির কেন্দ্রস্থলে রেড অ্যালার্ট পরিস্থিতি! স্বাধীনতা দিবসে আজ লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কী বলতে চলেছেন? বিগত এক মাস ধরে সংসদের অন্দর ও বাইরে একের পর এক রাজানৈতিক ও সামাজিক প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, আন্দোলনের জেরে এই প্রথম মোদি সরকার যথেষ্ট ব্যাকফুটে। অতএব আজ লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান। আগ্রহ ও কৌতূহলও তুঙ্গে। লালকেল্লা থেকে প্রতি বছরই প্রধানমন্ত্রী সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থার একটি নীতি ঘোষণা করেন। কয়েকটি প্রকল্পের কথাও আগাম জানিয়ে দেন। যা পরবর্তী বাজেটে প্রতিফলিত হয়। ২০২৫ সালে লালকেল্লার সামনের রাস্তায় হয়েছে বোমা বিস্ফোরণ। একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল । সুতরাং অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে এবার। কারণ প্রধানমন্ত্রী এবং গোটা মন্ত্রিসভাই থাকবেন। সেই কারণেই স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে চরম সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে দিল্লিতে এসেছে একের পর এক বোমা হামলার হুঁশিয়ারি সংক্রান্ত ফোন এবং ইমেল। দিল্লির টার্মিনাল থ্রি এয়ারপোর্ট, একাধিক আদালত, সরকারি ভবনে বোমার হুমকি সংবলিত হুঁশিয়ারি আসে শুক্রবার সকাল ১১ টার পর। দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট ম্যাজিস্ট্রেট দপ্তর, এয়ারপোর্ট, জামনগর হাউস, সাকেত আদালত দপ্তর, ঝান্ডেওয়ালা ইত্যাদি একাধিক স্থানেই বোমার হুমকি আসে। সঙ্গে সঙ্গে গোটা শহরে চিরুনি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। প্রসঙ্গত ঝান্ডেওয়ালায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের সদর দপ্তর। সম্প্রতি সংঘ সেখানে ভবন নির্মাণ করেছে। সর্বত্র বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড পৌঁছে যায়। তদন্ত এবং তল্লাশির পর দিল্লি পুলিশ ঘোষণা করে যে, প্রতিটি ফোন ও ইমেল ছিল ভুয়ো। তবুও সতর্কতায় কোনো শৈথিল্য দেখানো হচ্ছে না। দিল্লি এবং কাশ্মীরে সবথেকে বেশি নিরাপত্তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।



