Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

ভেপার নিলে কোন অসুখ সারে?

নাক বন্ধ। হাঁচি থামতেই চাইছে না। খুশখুশে কাশি বড্ড জ্বালাচ্ছে। শীতকালে নলেন গুড় যতটা ভালো, এইসব ঠিক ততটাই খারাপ

ভেপার নিলে কোন অসুখ সারে?
  • ১ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নাক বন্ধ। হাঁচি থামতেই চাইছে না। খুশখুশে কাশি বড্ড জ্বালাচ্ছে। শীতকালে নলেন গুড় যতটা ভালো, এইসব ঠিক ততটাই খারাপ। যেদিকে তাকাও সকলের একটাই সমস্যা, বেজায় ঠান্ডা লেগেছে। ওষুধ খেলে রোগ নিরাময় হবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কিছু ঘরোয়া টোটকাও বেশ কাজের হতে পারে। যেমন গরম জলের ভেপার নেওয়া। ঠিক কোন কোন অসুখ এতে সারে দেখা যাক। 

Advertisement


প্রথমত হালকা সর্দি বা খুশখুশে কাশিতে বেশ কাজ দেয় গরম ভেপার। নাক বন্ধ ও সাইনাসের সমস্যাও উপশম হতে পারে। ঠান্ডা লেগে মাথা ভার হয়ে থাকলে অল্পসময়ের মধ্যেই নিরাময় হয় এই পদ্ধতিতে। এছাড়া গলা ব্যথা, গলায় শুকনো ভাব, সবেতে ভেপার নিলে সাময়িক আরাম হয়। অর্থাৎ আপার রেসপিরেটরি ইনফেকশনের সমস্যায় ভেপার নিলে ম্যাজিকের মতো কাজ হয়। তবে শুধুমাত্র ভেপার নয়, সঙ্গে গরম জলে গার্গল করাও জরুরি। ঠান্ডা লেগে গলা বসে গেলে এতে বেশ কাজ হয়। পদ্ধতি সহজ। ফুটন্ত জল একটা পাত্রে নিতে হবে। তারপর তোয়ালে চাপা দিয়ে ফুটন্ত জল থেকে উঠতে থাকা ভেপার নাক দিয়ে টানতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে নিজের সহ্যসীমা। জোর করে গরম ভেপার নিতে গিয়ে ছ্যাঁকা লাগলে বিপদ হতে পারে। প্রয়োজনে কারভল-প্লাস গরম জলে দেওয়া যেতে পারে। 
সর্দি বা কাশির জন্য দায়ী ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে পারে না গরম ভেপার। এটি কেবল উপসর্গের তীব্রতা কমিয়ে সাময়িক স্বস্তি দেয়। তবে জ্বর, শ্বাসকষ্ট, বুক ব্যথা, দীর্ঘদিন ধরে কাশি বা সাইনাসের সমস্যা থাকলে শুধুমাত্র ভেপারের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 


ভেপার নেওয়ার সময় অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহার করলে নাক, মুখ বা চোখ পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে। তাই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ও সতর্কতার সঙ্গে ভেপার নেওয়া উচিত। শীতের দিনে কাজ থেকে ফিরে কিছুক্ষণ ভেপার নিলে এবং গার্গল করলে ভালো বই মন্দ হবে না। ইনফেকশন অল্প হলে তা একেবারে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 
লিখেছেন শুভদীপ রায়

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ