নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: কংগ্রেসের কী দুর্দশা! চোর-ডাকাতদের ছাড়া আর কাউকেই প্রার্থী পদে খুঁজে পাচ্ছে না। নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে এমনই কটাক্ষ করলেন পঞ্চায়েত ও কৃষি বিপণনমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি, তাঁর দাবি, ‘উপনির্বাচনের খেলা হয়ে গিয়েছে’। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর-দুই কেন্দ্রেই বিজেপি প্রার্থী জিতবেন বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের পর কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এনিয়ে রাজনীতির ময়দানে বিজেপিকে নিশানা করছে বিরোধীরা। এই অবস্থায় এদিন শিলিগুড়িতে উপনির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, আমার বিরুদ্ধেও ২৮টা কেস আছে। নির্বাচনের হলফনামায় তা উল্লেখ করেছি। উল্লেখ করতেই হয়। কিন্তু, আমার তো কেউ কিছু করেনি। আমাকে কেউ গ্রেপ্তার করেনি। সমাজবিরোধী কাজকর্ম করলে আইনের মুখোমুখি হতেই হবে। ১০টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তাই অভিযুক্ত কংগ্রেস প্রার্থীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এখানেই তাঁর সংযোজন, কংগ্রেসের কী দুর্দশা! প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না। চোর, ডাকাতদের দাঁড় করাতে হচ্ছে।
এদিন তৃণমূল কংগ্রেসকেও কটাক্ষ করেছেন দিলীপ। তাঁর বক্তব্য, যাদের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে গিয়েছেন, প্রার্থী চলে গিয়েছেন, এমপি-এমএলএ চলে গিয়েছেন, তা হলে খেলার কী হবে? খেলা তো শেষ। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের মুখে তাঁর এমন মন্তব্য ঘিরে রাজনীতির আঙ্গিনায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
পালটা দার্জিলিং জেলা কংগ্রেস সভাপতি সুবীন ভৌমিক বলেন, বিগত বামফ্রন্ট জমানার নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মুখ মিলন প্রধান। ওই প্রার্থী সম্পর্কে না জেনেই দিলীপবাবু কুকথা বলেছেন। কয়েক মাসের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আমজনতার ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এজন্যই পুলিশ দিয়ে দমনপীড়ন করে ভোটে জিততে চাইছে ওরা। এসব করে ওদের লাভ হবে না।